
উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে নিম্নচাপ, প্রবল বৃষ্টির আশঙ্কা, ভিজবে রাজ্য
নিম্নচাপের গঠন ও তীব্রতার কারণে ৪‑৮ জুলাই পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে প্রবল বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রোড, রেল ও সড়ক সংযোগে জলর স্তর বাড়তে পারে, তাই সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।
আশা করা যায় না, শীতের গরমে নামলে শোয়াল‑শোয়াল বৃষ্টির ঝড়। আবহাওয়া দপ্তরের সূত্রে জানানো হয়েছে যে, বঙ্গোপসাগরে একটি শক্তিশালী নিম্নচাপ গঠন করে দক্ষিণবঙ্গের বৃষ্টির পরিমাণকে সপ্তাহান্তে (৪ থেকে ৮ জুলাই) আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। এ নিম্নচাপের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাগরের ঢেউ বাড়বে এবং তীরে নিকটবর্তী এলাকায় তীব্র বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।
কোলকাতায় ইতোমধ্যে মেঘলা আকাশ দেখা গিয়েছে, তাপমাত্রা ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি নেমে এসেছে এবং আর্দ্রতা ৮০ শতাংশের উপরে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন যে, বৃষ্টির তীব্রতা বাড়লে রোড, রেল ও সড়ক সংযোগে জলর স্তর দ্রুত বাড়তে পারে, ফলে যানবাহনের চলাচলে অসুবিধা দেখা দিতে পারে।
বিকেলে হঠাৎ করে ধরা পড়া বৃষ্টির ঝাপটা ঢাকা, উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গে বন্যা-ঝড়ের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলতে পারে। বিশেষ করে নদীর তীরের দিকের গাঁওবাড়িতে অতিরিক্ত বৃষ্টির ফলে গবাদি পশু ও শস্যের ক্ষতি হতে পারে, তাই কৃষক ও গৃহস্থালীকে আগে থেকে প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।
মহানগরী কলকাতা ও আশেপাশের শহরে শ্রীবসুতি, সেলুলার নেটওয়ার্কে কিছুটা ব্যাঘাত ঘটতে পারে, তাই জরুরি যোগাযোগের জন্য ব্যাটারির রিজার্ভ রাখা উচিৎ। সরকারী দফতর ও বিদ্যালয়গুলোও বৃষ্টির পূর্বাভাস অনুযায়ী সময়সূচি পরিবর্তন করতে পারে, তাই পাসপোর্ট অফিস, কলেজ ও ব্যাংকের কাজের সময় পরীক্ষা করে নেওয়া দরকার।
অবশেষে, আবহাওয়া দপ্তর বলছে যে, নিম্নচাপের গতি ধীরে ধীরে দক্ষিণে সরে যাবে, তবে বৃষ্টির তীব্রতা এখনও অযথা বাড়তে পারে। তাই সাধারণ মানুষকে বাড়িতে নিরাপদে থাকা, অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ না করা এবং জরুরি সরঞ্জাম যেমন টর্চ, ফ্ল্যাশলাইট ও প্রয়োজনীয় খাবার প্রস্তুত রাখা উচিত।




