
বাংলা থেকে কাশ্মীর, ১৫০০ কিমি দীর্ঘ বর্ষার মেঘ‑বলয়! উপগ্রহ চিত্রে স্বস্তি
উপগ্রহ চিত্রে দেখা ১৫০০ কিলোমিটার দীর্ঘ বর্ষার মেঘ‑বলয় বাংলার পূর্বভাগ থেকে কাশ্মীর পর্যন্ত বিস্তৃত, যা উত্তর ভারতের তাপ‑দাবদাহকে শেষের দিকে স্বস্তি দেবে।
দিল্লি‑সহ পুরো উত্তর ভারত একাধিক সপ্তাহের তাপ‑দাবদাহ, গরম‑গরমের অবসাদ এবং দক্ষিণ‑পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর বিলম্বিত প্রবেশের পরে অবশেষে স্বস্তি পেতে চলেছে। বৃষ্টির মেঘ‑বলয়, যার দৈর্ঘ্য প্রায় ১৫০০ কিলোমিটার, উপগ্রহ চিত্রে বাংলার পূর্বভাগ থেকে কাশ্মীরের শীর্ষ পর্যন্ত দৃশ্যমান হয়েছে; এই দৃশ্যই আজকের প্রধান খবরের মূল পয়েন্ট।
অতএব, গরম‑স্রোত ও শূন্য জলস্রোতের কারণে কৃষকবৃন্দ কঠিন সময় পার করেছে। ধান‑গমের ক্ষেত ও ফলের গাছগুলো জলর ঘাটতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; তাছাড়া হ্রদ‑নদীর জলস্তর শূন্যের কাছাকাছি গিয়েছিল। তবে এখন এই বিশাল মেঘ‑বলয় দক্ষিণ‑পশ্চিম বায়ু নিয়ে আসবে, যা তাপ‑অবস্থা হ্রাস করবে এবং বৃষ্টিপাতে ভূমি পুনরুজ্জীবিত করবে।
ভারতীয় বায়ুমণ্ডলীয় গবেষণা সংস্থা (ইমড) জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ, পাঞ্জাব, হিমাচল ও কাশ্মীরের বেশ কয়েকটি জেলায় মাঝারি থেকে তীব্র বৃষ্টি হবে। মেঘ‑বলয় পূর্বদিকে সরে গেলে, এই অঞ্চলগুলোতে তাপমাত্রা কমে ৩৫ ডিগ্রি থেকে ২৯ ডিগ্রিতে নামবে এবং তাপ‑ঝুঁকি হ্রাস পাবে।
যদিও বৃষ্টির প্রত্যাশা স্বস্তি নিয়ে আসে, তবু কৃষক ও নগর পরিকল্পনাকারীদের সতর্ক থাকতে হবে; অতিরিক্ত বৃষ্টিতে নদী‑বাঁধ ভেঙে বন্যা ঘটতে পারে। তাই, যথাযথ পূর্বাভাস অনুসরণ করে জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।
উপসংহারে বলা যায়, দীর্ঘদিনের তাপ‑দাবদাহের পর এই বিশাল মেঘ‑বলয় উত্তর ভারতের জন্য প্রাকৃতিক উপশমের সঞ্চার করবে, তবে বৃষ্টিপাতের পরেও সম্ভাব্য বন্যা‑ঝুঁকি লক্ষ্য করে সক্রিয় প্রস্তুতি গ্রহণই হবে সবার মঙ্গলে।




