মুষলধারে বৃষ্টিকেও উপেক্ষা, তারাতলায় জোরকদমে উদ্ধার অভিযান
weather8 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

মুষলধারে বৃষ্টিকেও উপেক্ষা, তারাতলায় জোরকদমে উদ্ধার অভিযান

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই কলকাতা ও শহরতলিতে টানা প্রবল বৃষ্টি ও বজ্রপাতের সঙ্গে উদ্ধার অভিযান ত্বরান্বিত হয়েছে। মেট্রো, পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবী দল একত্রে কাজ করে বিপন্ন নাগরিকদের রক্ষা করছে।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কলকাতা ও তার শহরতলির বেশ কয়েকটি এলাকায় টানা প্রবল বৃষ্টি ভাসমান। মেঘমালিন আকাশ থেকে ধারাবাহিক তুষার‑সদৃশ বৃষ্টি নেমে এসে রাস্তায় জলবাহী স্রোত গড়ে তুলেছে, আর দফা‑দফা বজ্রপাতের গর্জন পরিস্থিতিকে আর বেশি জটিল করে তুলেছে। সাইটে থাকা পর্যবেক্ষকরা জানাচ্ছেন, বৃষ্টির তীব্রতা গতকাল রাতের তুলনায় দুই গুণ বেশি, ফলে সড়ক‑পথে গড়িয়ে পড়া গাড়ি, বন্যা‑বিপদে পড়া বাড়ি ও বেসরকারি সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বিপদের মুখে সাড়া দিয়ে কলকাতা মেট্রো, সিটি পোলিস, পশ্চিমবঙ্গ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা (ডিডিএস) ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী গোষ্ঠী একত্রে উদ্ধার কার্যকরে। বিশেষ করে, মেট্রো রেলওয়ে সেতু ও জলে ভাসমান গাড়ি থেকে আটকে থাকা যাত্রীদের রেসকিউ করাতে রেসকিউ বোট ও হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হয়েছে। জরুরি সেবা কেন্দ্র থেকে রেডিও ও সিএনএফএল টেলিফোন লাইন চালু রেখে রাত পর্যন্ত সাড়া দেয়া হচ্ছে।

বিপদের প্রভাব কমাতে শহরের নগর পরিকল্পনা বিভাগ দ্রুত সেচ‑নালার পরিষ্কার কাজ চালু করেছে। অস্থায়ী বর্জ্য ও আবর্জনা পরিষ্কার করে নদীর বুকে ঢালানোর পরিমাণ কমানো হয়েছে, যাতে অতিরিক্ত জলস্রোত রোধ করা যায়। তাছাড়া, স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী দলগুলো গৃহবিহীন মানুষকে শীতল আশ্রয় এবং তাজা জলের সরবরাহে ব্যস্ত রয়েছে।

বিরক্তিকর বৃষ্টির মাঝেও শহরের সেবক ও স্বেচ্ছাসেবীর তাড়াতাড়ি সাড়া রইল, যা জনসাধারণের নিরাপত্তা ও শান্তি বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ভবিষ্যতে এমন বৃষ্টিকালীন দুর্যোগ মোকাবিলায় সমন্বিত পরিকল্পনা ও ত্বরিত পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। এই মুহূর্তে, কর্তৃপক্ষের সমন্বিত কাজই শহরের নিরাপত্তার মূল চাবিকাঠি হতে পারে।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX