শিলিগুড়িতে অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে কঠোর পৌরনিগম, বুলডোজারে গুঁড়ো হলো দখল করা স্ল্যাব
state6 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

শিলিগুড়িতে অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে কঠোর পৌরনিগম, বুলডোজারে গুঁড়ো হলো দখল করা স্ল্যাব

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

শিলিগুড়ি পৌরনিগমের অভিযানে এসএফ রোডের একটি হোটেলের সামনে নালা দখল করে তৈরি অবৈধ স্ল্যাব ভেঙে দেওয়া হয়েছে। জলনিকাশি ব্যবস্থার উন্নতির লক্ষ্যে শহরের সমস্ত অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়েছে প্রশাসন।

শহরকে সুন্দর ও জলনিকাশি ব্যবস্থাকে উন্নত করতে এবার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিল শিলিগুড়ি পৌরনিগম। দীর্ঘদিনের জমে থাকা অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতেই শনিবার শহরের এসএফ রোডে বুলডোজার নামাল পুর কর্তৃপক্ষ। একটি হোটেলের সামনে সরকারি নালা দখল করে তৈরি করা অবৈধ স্ল্যাব গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। প্রশাসনের এই আকস্মিক অভিযানে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

পৌরনিগমের সূত্রে জানা গিয়েছে, শহরের বিভিন্ন জায়গায় নিকাশি নালা দখল করে অনেকেই অস্থায়ী বা স্থায়ী নির্মাণ গড়ে তুলেছেন। এর ফলে বর্ষাকালে জল জমে শহরের বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ে এবং সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এই সমস্যা সমাধানেই এবার কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুর প্রশাসন। শনিবারের এই অভিযানে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে যে, সরকারি জমি বা নালা দখল করে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

অভিযানের সময় দেখা গিয়েছে, এসএফ রোডের ওই হোটেলের সামনে নালাটি সম্পূর্ণভাবে ঢেকে দেওয়া হয়েছিল, যার ফলে জল চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। পৌরনিগমের কর্মীরা বুলডোজার দিয়ে দ্রুত ওই অবৈধ স্ল্যাবটি ভেঙে নালাটি মুক্ত করে দেন। স্থানীয় বাসিন্দারা পুরসভার এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, সঠিক নিকাশি ব্যবস্থা না থাকায় এই এলাকায় জল জমে দীর্ঘক্ষণ নোংরা জল জমে থাকে, যা স্বাস্থ্যের পক্ষেও ক্ষতিকর।

পুর কর্তৃপক্ষের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন, এটি কেবল শুরু। শহরের অন্যান্য এলাকাতেও সমীক্ষা চালানো হচ্ছে এবং যেখানেই অবৈধ নির্মাণ ধরা পড়বে, সেখানেই বুলডোজার চালানো হবে। নিয়ম বহির্ভূতভাবে কোনও নির্মাণ করা হলে তা দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় আইনি পদক্ষেপের পাশাপাশি কঠোরভাবে ভেঙে ফেলার কাজ চালানো হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে পৌরনিগম।

সামগ্রিকভাবে, শিলিগুড়ি পৌরনিগমের এই পদক্ষেপ শহরের পরিকাঠামো উন্নয়নে একটি ইতিবাচক সংকেত। দীর্ঘদিনের জমে থাকা জঞ্জাল এবং অবৈধ দখলমুক্ত হলে শহরের জলনিকাশি ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে। সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে এবং শহরের পরিবেশ রক্ষায় এই ধরনের অভিযান আগামী দিনে আরও জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX