
বাংলার সাঁতার নির্বাচন নীরব, জাতীয় মিটের ট্রায়ালে সময়‑কারচুপি অভিযোগের গুঞ্জন
বাংলার সাঁতার সংস্থার নির্বাচনে অচলাবস্থা, জাতীয় মিটের ট্রায়ালে সময়‑কারচুপি’র অভিযোগের গুঞ্জন। দ্রুত স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারই সাঁতারুদের ভবিষ্যৎ রক্ষার চাবিকাঠি।
কলকাতা — বাবান আদক, কলকাতা: জলের তলায় ক্রমশ তলিয়ে যাচ্ছে বাংলার সাঁতার। রাজ্য সাঁতার সংস্থার নির্বাচনী প্রক্রিয়া যখন অচলাবস্থায় আটকে আছে, তখনই জাতীয় মিটের ট্রায়ালে সময়‑কারচুপি’র অভিযোগ উঠে এসেছে। নির্বাচনের দেরি ও অনিশ্চয়তার ফলে শীর্ষ স্তরের সাঁতারুদের প্রশিক্ষণ ও বিদেশী প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগই হুমকির মুখে পড়েছে।
সংস্থার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নির্বাচন নিয়ে পারস্পরিক মতবিরোধ এবং প্রাসঙ্গিক নথি জমা না হওয়ার ফলে ভোটগ্রহণ স্থগিত হয়েছে। এদিকে, জাতীয় মিটের ট্রায়াল কমিটি সময়সূচি পরিবর্তন করে একাধিকবার পুনরায় নির্ধারণ করেছে, যা সাঁতারুদের প্রস্তুতিতে অস্বস্তি সৃষ্টি করেছে। কিছু সাঁতারু ও কোচের মতে, এই সময়‑কারচুপি মূলত কিছু গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষার জন্য করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি দ্রুত সমাধান না করা হয় তবে বাংলার সাঁতার ভবিষ্যতে বড় ক্ষতি হবে। আন্তর্জাতিক দায়িত্বপূর্ণ সাঁতারুদের জন্য উপযুক্ত প্ল্যাটফর্ম না থাকলে, তরুণ ক্রীড়াবিদরা অন্য রাজ্য বা বিদেশে সুযোগ খোঁজার দিকে ঝুঁকতে পারে।
রাজ্য সরকারকে আহ্বান জানানো হচ্ছে, যেন নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে দ্রুত স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করে সাঁতারুদের আত্মবিশ্বাস পুনরুদ্ধার করা যায়। একই সঙ্গে সময়‑কারচুপি’র অভিযোগের যথাযথ তদন্ত করে ট্রায়ালের সূচি পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন, যাতে ক্রীড়া ক্ষেত্রের স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার বজায় থাকে।
উপসংহারে বলা যায়, বাংলার সাঁতার পুনর্জীবনের জন্য দু'টি মূল বিষয়ই জরুরি: স্বচ্ছ নির্বাচন এবং ন্যায্য সময়সূচি। উভয়ই সঠিকভাবে সামলালে ক্রীড়া জগতের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারবে।




