
ফিফা বিশ্বকাপ বিক্রির পরিকল্পনা আটকেছেন: দুই মহিলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপে ঝুঁকিতে
ফিফার বিশ্বকাপ বিক্রির গোপন পরিকল্পনা দুই মহিলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপে আটকে গেল। তাদের দ্রুত পদক্ষেপে ক্রীড়ার আত্মা নিলামের ঝুঁকি থেকে রক্ষা পায় এবং ফিফার স্বচ্ছতা প্রশ্নে নতুন আলো পড়ে।
ফিফা (FIFA) বিশ্বকাপের বিক্রির গোপন পরিকল্পনা যখন প্রকাশ পেল, তখনই কলকাতা শহরের দু’জন মহিলা প্রশাসক তা আটকিয়ে ফেললেন। বাবান আদক, কলকাতা রায়কের জানালায় লেখা আছে, বিশ্বকাপের মালিকানা যদি জিয়ানি ইনফান্টিনোর পৈতৃক সম্পত্তি হয়ে যায়, তবে তা ক্রীড়ার আত্মাকে নিলামের আওতায় আনা হবে।
এই দুই মহিলা প্রশাসক, যাঁদের নাম গোপন রাখা হয়েছে, ফিফার আর্থিক বিভাগে উচ্চপদে কর্মরত। তারা টাকার লোভে ফুটবলের আত্মা বিক্রি করার চেষ্টাকে ত্বরান্বিত করতে চাইছিলেন এমন অমার্জিত প্রস্তাবের বিরোধিতা করে। তাদের দ্রুত পদক্ষেপে ফিফার অভ্যন্তরীণ নথি ও ইমেইল চেক করে বিক্রির খসড়া বন্ধ করে দেয়া হয়।
বিশ্বকাপের বিক্রির কথা প্রথমবারের মতো শোনা গেল, যখন ফিফা আর্থিক সংকটে পড়ে। গ্লোবাল স্পনসরশিপ কমে যাওয়া ও কোভিড‑১৯ এর পরিণতি আর্থিক ঘাটতি বাড়িয়ে দিচ্ছিল, তাই কিছু অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠী বিক্রির মাধ্যমে তহবিল জোগাড়ের কথা ভাবছিল। তবে এই ধরনের প্রস্তাব জনমত ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংস্থার নীতি লঙ্ঘন করে, ফলে ব্যাপক প্রতিবাদের মুখে পড়তে পারে।
কলকাতা পুলিশ ও স্পোর্টস অধিদপ্তর ইতিমধ্যে বিষয়টি তদন্তের অধীনে রেখেছে। দুই মহিলা প্রশাসকের গৃহীত পদক্ষেপকে প্রশংসা করে স্পোর্টস মন্ত্রণালয়ের মুখ্যমন্ত্রী বলছেন, "ক্রীড়ার সৎ পরিচয় রক্ষা করা সবার দায়িত্ব।" যদিও এখনও বিক্রির প্রকৃত পরিকল্পনা কীভাবে চালু হয়েছিল তা পরিষ্কার নয়, তবে এই ঘটনা ফিফার স্বচ্ছতা ও নৈতিকতার প্রশ্ন তুলেছে।
উপসংহারে বলা যায়, ফুটবলকে কর্পোরেট নিলামে তুলতে চাওয়া পরিকল্পনা যদি সফল হতো, তবে খেলাটির সত্তা ও ভক্তদের আস্থা ক্ষুণ্ণ হতো। দুই মহিলা প্রশাসকের দ্রুত হস্তক্ষেপে এই অমার্জিত পরিকল্পনা থামা সার্থক হয়েছে, এবং এটি ভবিষ্যতে ক্রীড়া সংস্থার আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে আরও সতর্কতা বজায় রাখার ইঙ্গিত দেয়।




