
সাহালের ম্যাজিকে ডার্বি জয়, ডুরান্ড কাপের শুরুতেই মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের দাপট
ডুরান্ড কাপের প্রথম ম্যাচেই ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে জয় পেল মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। সাহালের দুর্দান্ত গোলে যুবভারতীর মাঠ জয় করল বাগান ব্রিগেড।
সল্টলেকের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের গ্যালারি যখন সবুজ-মেরুন আর সবুজ-সাদা রঙের ভিড়ে ঠাসা, তখনই মরসুমের প্রথম হাইভোল্টেজ ডার্বিতে নিজেদের আধিপত্য প্রমাণ করল মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। ডুরান্ড কাপের শুরুতেই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গলকে পরাজিত করে জয়সূচক সূচনা করল বাগান ব্রিগেড। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে প্রতিপক্ষকে চাপে রেখেছিল তারা।
ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয় সাহালের একটি দুর্দান্ত গোল। সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় positioning এবং নিখুঁত ফিনিশিংয়ের মাধ্যমে বল জালে জড়ান তিনি। এই গোলের পর মোহনবাগান যেভাবে নিজেদের লিড ধরে রেখেছিল, তাতে ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণভাগ কার্যত দিশেহারা হয়ে পড়ে। রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় বাগান খেলোয়াড়রা প্রতিপক্ষের সমস্ত প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়।
ম্যাচের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ ছিল মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের হাতেই। মাঝমাঠের পাসিং গেম এবং উইং দিয়ে দ্রুত আক্রমণ প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে বারবার বিপর্যস্ত করেছে। অন্যদিকে, ইস্টবেঙ্গল চেষ্টা করলেও শেষ মুহূর্তে প্রয়োজনীয় গোলটি করতে ব্যর্থ হয়। ফলে যুবভারতীর মাঠের লড়াইয়ে শেষ হাসি হাসল সবুজ-সাদার দল।
এই জয় কেবল একটি টুর্নামেন্টের শুরু নয়, বরং আসন্ন মরসুমের জন্য মোহনবাগান সমর্থকদের মনে বাড়তি আত্মবিশ্বাস জোগাল। ডার্বি জয়ের এই উন্মাদনা এখন গোটা কলকাতায়। কোচ এবং ম্যানেজমেন্টের রণকৌশল এবং খেলোয়াড়দের মাঠের লড়াই প্রমাণ করল যে, বর্তমান ফর্ম অনুযায়ী তারা টুর্নামেন্টের অন্যতম দাবিদার।
সামগ্রিকভাবে, একটি টানটান উত্তেজনার ম্যাচে সাহালের একক গোলে জয় ছিনিয়ে নিল মোহনবাগান। ডুরান্ড কাপের এই উড়ন্ত সূচনা দলের মনোবলকে আরও বাড়িয়ে দিল। এখন দেখার বিষয়, এই জয়ের ধারা তারা পরবর্তী ম্যাচগুলিতেও বজায় রাখতে পারে কি না।




