হাসিনার বক্তব্যের প্রচারে বাধা, তারেকের সরকার মিডিয়া কণ্ঠরোধের অভিযোগে ঘেরা
রাজনীতি6 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

হাসিনার বক্তব্যের প্রচারে বাধা, তারেকের সরকার মিডিয়া কণ্ঠরোধের অভিযোগে ঘেরা

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

সরকার সব প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মকে নির্দেশ দিয়ে হাসিনার বক্তব্যের প্রচার বন্ধ করেছে। মিডিয়া গোষ্ঠী ও মানবাধিকার সংস্থা এই কণ্ঠরোধকে গণতন্ত্রের আঘাত বলে সমালোচনা করছে।

ঢাকা: দেশের রাজনৈতিক উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। সরকার সর্বজনীনভাবে নির্দেশ দিয়েছে যে, ক্ষমতাচ্যুত ও… শ্রেণীর নেতাদের সবারই প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, অনলাইন ও সামাজিক মাধ্যমের মাধ্যমে কোনো মন্তব্য প্রকাশ নিষিদ্ধ। এই আদেশের ফলে হুমায়ুন আজমের নিকটস্থ ঘনিষ্ঠ সহযোগী হাসিনার উকিলের বক্তব্যকে প্রচার করতে চাওয়া মিডিয়া আউটলেটগুলোকে সরাসরি বাধা জানানো হয়েছে।

মাধ্যমিক গোষ্ঠী ও স্বাধীন সাংবাদিক সংগঠনগুলো এই পদক্ষেপকে অব্যাহত গণতন্ত্রের প্রতি আঘাত হিসাবে প্রকাশ করেছে। তারা দাবি করছে যে, প্রকাশের স্বাধীনতা ও মত প্রকাশের অধিকারকে এমন একচেটিয়া আদেশের মাধ্যমে দমন করা হচ্ছে। বিশেষত, অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতে হ্যাশট্যাগ এবং ভিডিও কন্টেন্ট সরিয়ে ফেলা অথবা ব্লক করা হচ্ছে, যা নাগরিকদের তথ্যপ্রাপ্তির অধিকারকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

হাসিনার উকিলের কথা জানাতে চাওয়া সংবাদ সংস্থাগুলোকে কঠোর প্রভাবের মুখোমুখি হতে হচ্ছে; কেউ কেউ আইনগত চ্যালেঞ্জের প্রস্তুতি নিচ্ছে, আবার কেউ চুপচাপ সরে যাচ্ছে। এই ধরণের মিডিয়া সেন্সরশিপের ফলে দেশের অভ্যন্তরে ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সরকারকে সমালোচনার মুখে ফেলা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন যে, তথ্যের প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে জনমত গঠনে বিকৃতি ঘটবে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা হ্রাস পাবে। তাই, মিডিয়া গোষ্ঠী ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো একত্রে একটি সমন্বিত প্রতিবাদসূচি গঠন করেছে, যাতে সরকারের আদেশের বৈধতা ও ন্যায়সঙ্গততা প্রশ্নবিদ্ধ হয়।

অবশেষে, যদি সরকার এই ধারা বজায় রাখে, তবে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মিডিয়া সংস্থাগুলোর ওপর বাড়তে থাকা চাপের ফলে তথ্যের স্বচ্ছতা ও জনসচেতনতা দুটোই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই, এখনই সময় এসেছে সকল সংশ্লিষ্ট পক্ষের মধ্যে সংলাপ শুরু করার এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষার জন্য যৌথ পদক্ষেপ নেয়ার।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX