
বারুইপুরে নির্যাতিতার বাড়িতে গিয়ে পরিবারের পাশে ছিলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী
অধীর রঞ্জন চৌধুরী বারুইপুরে কিশোরীর মৃত্যুর শোকের সময় পরিবারকে সমর্থন জানাতে গিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বললেন, নিরাপত্তা ও সহায়তার গুরুত্ব তুলে ধরলেন।
বুধবার বারুইপুরের এক শান্তিপ্রিয় গাঁয়ে কিশোরী শিক্ষার্থীর হঠাৎ মৃত্যুর শোকের মুহূর্তে প্রাক্তন কংগ্রেস সংসদ সদস্য ও পশ্চিমবঙ্গ কংগ্রেসের সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর উপস্থিতি নজরে এলো। তিনি নিজেই জোর দিয়ে বলেছিলেন, “আমি পরিবারকে একাকী ছাড়তে পারি না; তাদের পাশে থাকা আমার নৈতিক দায়িত্ব।” এ কথায় শোকগাঁথা শোনানো বাড়ির দরজায় গৃহস্থদের মুখে অল্প স্বস্তি ফিরে এলো।
নিহত কিশোরীর পরিবারে মা, বাবা এবং দুই ছোট শিশুরা আছে। চৌধুরী বাড়িতে প্রবেশ করে পরিবারের সঙ্গে বসে কথা বললেন, শোকের সময় কীভাবে সমর্থন পাওয়া যায়, সরকারী সহায়তা এবং নিকটবর্তী হাসপাতালগুলোর তথ্য জানালেন। তিনি জানিয়েছেন যে, এই ধরনের হিংস্র অপরাধের তদন্ত দ্রুততর করা হবে এবং অপরাধীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিবেচনায় তিনি উল্লেখ করলেন, “এই শহরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের সকলের সহযোগিতা দরকার। পুলিশ, সমাজ ও রাজনীতিবিদ একসঙ্গে কাজ করলেই আমরা এমন দুঃখজনক ঘটনা বন্ধ করতে পারব।” তার ভাষা শুনে গাঁয়ের লোকজনের মুখে আশা জাগে, যদিও শোকের ছায়া এখনও গা ছুঁয়ে আছে।
অধীর রঞ্জন চৌধুরী পরিবারকে আশ্বাস দিয়ে চলে গেছেন, কিন্তু গাঁয়ের মানুষদের মনে এখনো প্রশ্ন রয়ে গেছে—এই ধরনের নির্যাতন কীভাবে রোধ করা যায়, এবং শিকারের পরিবারকে কীভাবে যথাযথ সাহায্য পৌঁছে দেওয়া যায়। স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানানো হয়, যেন ভবিষ্যতে এমন ঘটনা পুনরায় না হয়।
উপসংহারে বলা যায়, অধীর রঞ্জন চৌধুরীর এই মানবিক ভ্রমণ কেবল শোকের মুহূর্তে সান্ত্বনা নয়, বরং সমাজে নিরাপত্তা ও সহানুভূতির বোধ জাগানোর এক উদাহরণ। তার উপস্থিতি ও কথাবার্তা শোকের অন্ধকারে এক আলো জ্বালিয়ে দিয়েছে, তবে শেষ পর্যন্ত শিকারের পরিবারকে বাস্তবিক সহায়তা পৌঁছাতে সরকারী ও সামাজিক উদ্যোগের প্রয়োজন।




