
আস্থা অটুট, ‘মুখ্যমন্ত্রী আমার দাদা’, অভিযুক্তের এনকাউন্টারে স্বস্তি নির্যাতিতার পরিবারে
বারুইপুরে নাবালিকাকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় অভিযুক্তের এনকাউন্টারে মৃত্যুর পর, মুখ্যমন্ত্রী মমতা সেন দ্রুত প্রতিশ্রুতি দিয়ে তদন্ত ত্বরান্বিত করার কথা বলছেন, যা নির্যাতিতার পরিবারে স্বস্তি এনে দিচ্ছে।
বারুইপুরে নাবালিকাকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের এনকাউন্টারে মৃত্যুর শোকঘন্টা বাজে, আর তৎক্ষণাৎ রাজনীতি নতুন মোড়ে দাঁড়িয়ে। তার মৃত্যুর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা সেন নিকটস্থ পরিবারকে সরাসরি ফোন করে নিশ্চিত করেন যে, তদন্ত দ্রুততর হবে এবং অপরাধীর সহযোদ্ধা কেউই রক্ষা পাবে না। এই দ্রুত প্রতিক্রিয়া রাজ্যের রাজনীতিতে এক ধরনের স্থিতি ও আস্থা জাগায়, বিশেষত দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর লড়াইয়ের প্রতিশ্রুতি হিসেবে।
মুখ্যমন্ত্রীর কথায় স্পষ্ট যে, “আমি দাদার মতোই তোমাদের পাশে আছি, আর এই ন্যায়বিচারকে অল্প সময়ে সম্পন্ন করব।” তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট পুলিশ, আইসিটি ও আইএফএসকে একসাথে কাজ করতে নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে প্রমাণের গোপনীয়তা নষ্ট না হয়। এদিকে, প্রভাসের পরিবারে শোকের রঙ মিশে রয়েছে, তবে তারা মুখ্যমন্ত্রীর সহানুভূতিতে স্বস্তি পেয়েছে, কারণ তারা জানে যে ন্যায়বিচার অবশেষে তাদের সঙ্গেই যাবে।
অনুসন্ধান দল জানিয়েছে, এনকাউন্টারটি স্বেচ্ছায় নেওয়া হয়নি; প্রভাসের পরিবারের সদস্যরা একে একে সাক্ষ্য দিচ্ছেন, যাতে মামলার পটভূমি পরিষ্কার হয়। তদন্তের প্রথম পর্যায়ে পাওয়া ডিএনএ ও সিভিল রেকর্ডের তুলনা করা হবে, এবং প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত ফরেনসিক বিশ্লেষণ করা হবে। এই প্রক্রিয়ায় কোনো ধাপ বাদ না দিয়ে দ্রুত কাজ করা হবে, যাতে নির্যাতিতার পরিবারে আর কোনো অনিশ্চয়তা না থাকে।
অবশেষে, মুখ্যমন্ত্রীর দৃঢ় পদক্ষেপ ও সরকারের সমর্থন একসাথে ন্যায়বিচারের পথে অগ্রগতি নিশ্চিত করবে বলে আশা করা যায়। এই ঘটনা রাজ্য জুড়ে ন্যায়বিচার ও শোষণ বিরোধী সংগ্রামের প্রতীক হয়ে দাঁড়াবে, এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যকে দৃঢ় করবে।




