
বারুইপুরে মুখ্যমন্ত্রী‑যাত্রার আগে ঋতব্রত‑সায়নীর বিক্ষোভ, ‘বেইমান’ বলে কটাক্ষ
নাবালিকার ধর্ষণ‑খুন মামলায় গড়ে ওঠা ক্ষোভের মাঝখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বারুইপুর সফর নির্ধারিত হয়েছে। ঋতব্রত‑সায়নীর দল ‘বেইমান’ বলে সরকারকে কটাক্ষ করে, ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তা দাবিতে বিক্ষোভ চালিয়ে।
বারুইপুরে নাবালিকার ধর্ষণ‑খুন মামলায় গড়ে উঠা ক্ষোভের মাঝখানে মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সফর নির্ধারিত হয়েছে। ঘটনাস্থলেই সশস্ত্রভাবে সাঁটায় দাঁড়িয়ে থাকা ঋতব্রত‑সায়নীর দল, মুখ্যমন্ত্রীর আগমনের আগেই শহরে বড় বিক্ষোভের আয়োজন করে, এবং সরকারকে ‘বেইমান’ বলে সমালোচনা করে। এই বিক্ষোভে স্থানীয় যুবক-যুবতী, নারী সংগঠন এবং মানবাধিকার দলের সক্রিয় সদস্যরা অংশ নেয়, এবং তারা দাবি করে মামলার তদন্ত দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে শেষ হোক।
মুখ্যমন্ত্রীকে স্বাগতমের বার্তা দিলেও, বিক্ষোভকারী দল শান্তিপূর্ণ রৈধে না থাকায় পুলিশের সঙ্গে টানাপোড়েন দেখা দেয়। স্থানীয় পুলিশ কয়েকজন প্রতিবাদকারীকে আটক করে, তবে অধিকাংশই শান্তিপূর্ণভাবে রওনা দেয়। এই দৃশ্যে মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হয়, কীভাবে সরকার নাবালিকাদের সুরক্ষা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে, এবং কী পদক্ষেপ নেবে যাতে এমন দুঃখজনক ঘটনা আর না ঘটে।
বিক্ষোভের সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে সরাসরি কথোপকথনে ঋতব্রত‑সায়নীর নেতা বলেন, "সরকারের অযত্নে আমাদের সন্তানরা প্রাণ হারাচ্ছে; এই অবহেলা আর সহ্য করা যাবে না।" তারা তীব্রভাবে দাবি করে, মামলার শিকারের পরিবারকে ন্যায়সঙ্গত ক্ষতিপূরণ ও মানসিক সমর্থন দেওয়া হোক।
মুখ্যমন্ত্রীর বারুইপুর সফরের শেষ পর্যায়ে তিনি স্থানীয় প্রশাসন ও আইনি কাঠামোর শক্তিশালীকরণে প্রতিজ্ঞা জানিয়ে, ভবিষ্যতে এমন অপরাধের পুনরাবৃত্তি রোধের জন্য তৎপরতা বাড়াতে আহ্বান জানান। তিনি বললেন, "যে কোনো অপরাধের জন্য কঠোর শাস্তি হবে, আর ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে।"
উপসংহারে বলা যায়, নাবালিকার হত্যাকাণ্ডের নিন্দা ও ন্যায়বিচারের দাবি শক্তিশালী হয়ে উঠেছে, আর সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে জনমতকে সন্তুষ্ট করতে হবে। ন্যায়বিচার না মিললে জনসাধারণের বিশ্বাসই ক্ষয়প্রাপ্ত হবে, যা দীর্ঘমেয়াদে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে প্রভাবিত করবে।




