
শেষ হল আশা! ইউরোপিয়ান কোর্ট অব হিউম্যান রাইটসে হেরে গেলেন নীরব মোদী
ইউরোপিয়ান কোর্ট অব হিউম্যান রাইটসে নীরব মোদীর শেষ আইনি লড়াইয়ে রায় পরিবর্তন হয়েছে, যা মোদি সরকারের জন্য কূটনৈতিক জয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই রায় ব্যাংকিং স্ক্যান্ডালকে নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে পর্যালোচনা করার দরকার নির্দেশ করে।
ইউরোপিয়ান কোর্ট অব হিউম্যান রাইটস (ECHR) আজকের তারিখে নীরব মোদীর বিরুদ্ধে দেওয়া শেষ আইনি আদেশের পূর্ণ রদবদল জানিয়েছে। পিএনবি জালিয়াতি কেলেঙ্কারির প্রধান অভিযুক্তের ওপর আন্তর্জাতিক আদালতে চলা মামলাটিতে রায়ে তাকে পূর্ণভাবে দোষী সাব্যস্ত করা হয় না, ফলে তার সম্পদ দখল ও রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার কিছু ধারা বাতিল হয়।
এই রায়ের আগে মোদী সরকার বহুবার তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আর্থিক চাপের কথা জানিয়েছে, কিন্তু হিউম্যান রাইটস কোর্টের এই অপ্রত্যাশিত সিদ্ধান্ত পুরো কূটনৈতিক দৃশ্যপটকে বদলে দেয়। ন্যাশনাল ব্যাংক ঘোটা ধোঁয়াটে ঘটনার পর, মোদী বিদেশি ব্যাংক ও বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে বড় পরিমাণে ঋণ গ্রহণ করছিল, যা এখন আইনগতভাবে নিরাপদ হয়ে উঠেছে।
মন্তব্যে কেন্দ্রীয় প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী উভয়ই এই রায়কে “মোদি সরকারের জন্য এক বিশাল কূটনৈতিক জয়” বলে প্রশংসা করেছেন। তারা জোর দিয়ে বলেছেন যে, এই রায়ের মাধ্যমে ভারতের আন্তর্জাতিক বিচার ব্যবস্থার প্রতি আস্থা বাড়বে এবং দেশের ব্যবসায়িক পরিবেশ আরও স্বচ্ছ হবে।
বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলছেন, যদিও এই রায় মোদীর পক্ষে হলেও, পিএনবি স্ক্যান্ডালের পুরো প্রভাব এখনো শেষ হয়নি। দেশের ব্যাংকিং সেক্টরে অবশিষ্ট অশান্তি দূর করতে আর্থিক নিয়ন্ত্রণকে আরও কড়া করতে হবে।
অবশেষে, ইউরোপীয় আদালতের এই রায় নীরব মোদীর শেষ আইনি লড়াইয়ে তার আত্মবিশ্বাসকে পুনর্বলিত করেছে, তবে দেশের আর্থিক শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য সরকারের ত্বরিত পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।




