এফআইআর ফেরাল পুলিশ, থানায় ধর্নায় রাহুল! পেলেট গানের আঘাতে জখম যুবকের বিচার চেয়ে রণক্ষেত্র দিল্লি
national5 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

এফআইআর ফেরাল পুলিশ, থানায় ধর্নায় রাহুল! পেলেট গানের আঘাতে জখম যুবকের বিচার চেয়ে রণক্ষেত্র দিল্লি

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

পেলেট গানের আঘাতে জখম যুবকের এফআইআর ফেরানোর অভিযোগে থানায় ধর্নায় বসলেন রাহুল। পুলিশের এই পদক্ষেপকে আইনের লঙ্ঘন বলে দাবি করে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।

জাতীয় রাজধানীতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ফের একবার তীব্র বিতর্ক দানা বাঁধল। গত ২০ জুলাই ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)-র একটি বিক্ষোভ কর্মসূচিতে পুলিশের পেলেট গানের আঘাতে গুরুতর জখম হয়েছিলেন এক তরুণ। অভিযোগ, সেই ঘটনার পর যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার বদলে পুলিশ অভিযোগপত্র বা এফআইআর (FIR) ফিরিয়ে দিয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে এবার সরাসরি থানায় গিয়ে ধর্নায় বসলেন দলের নেতা রাহুল। পুলিশের এই উদাসীনতা এবং আইনি প্রক্রিয়ায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ সামনে আসতেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক মহল।

ঘটনার সূত্রপাত গত জুলাই মাসে, যখন একটি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচি দমনে পুলিশ বলপ্রয়োগ করে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, পুলিশের ছররা বন্দুকের আঘাতে ওই তরুণ মারাত্মকভাবে আহত হন। গুরুতর আঘাতের কারণে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। নিয়ম অনুযায়ী, পুলিশের দ্বারা হওয়া এই ধরণের হিংসার ঘটনায় দ্রুত এফআইআর দায়ের হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু অভিযোগকারী পক্ষ যখন থানায় অভিযোগ জানাতে যান, তখন পুলিশ তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করে বলে দাবি করা হচ্ছে।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, পুলিশ যদি কোনো অপরাধের প্রাথমিক তথ্য বা অভিযোগ গ্রহণ করতে অস্বীকার করে, তবে তা আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। ভারতীয় দণ্ডবিধির নিয়ম অনুযায়ী, পুলিশের দায়িত্ব হলো অভিযোগ শুনে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করা। এফআইআর ফিরিয়ে দেওয়া বা তা এড়িয়ে যাওয়া নাগরিক অধিকারের পরিপন্থী। এই আইনি লড়াইয়ের মাঝেই রাহুলের নেতৃত্বাধীন প্রতিবাদ কর্মসূচি পুলিশ প্রশাসনের ওপর চাপ বাড়িয়েছে। তাদের দাবি, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষী পুলিশ কর্মীদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তি দেওয়া হোক।

এই ঘটনাটি কেবল একটি আইনি লড়াই নয়, বরং গণতান্ত্রিক অধিকার এবং পুলিশের ক্ষমতার অপব্যবহারের এক বড় উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। একদিকে প্রশাসনের দাবি, তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছিল, অন্যদিকে আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, সাধারণ মানুষকে ভয় দেখাতে এবং কণ্ঠরোধ করতে এই ধরণের হিংসাত্মক পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এখন দেখার যে, উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপের পর পুলিশ প্রশাসন এই বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেয় এবং ওই জখম যুবক ন্যায়বিচার পান কি না।

#Delhi News#Human Rights#CJP#Police Brutality#Legal Battle

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX