ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক গার্ডিয়ান ড্রোন ভাড়া নিতে GAASI‑এর সঙ্গে স্বয়ংক্রিয় চুক্তি স্বাক্ষর
national6 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক গার্ডিয়ান ড্রোন ভাড়া নিতে GAASI‑এর সঙ্গে স্বয়ংক্রিয় চুক্তি স্বাক্ষর

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক GAASI‑এর সঙ্গে দুইটি MQ‑9B গার্ডিয়ান ড্রোন ভাড়া নিয়ে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ড্রোনগুলো সমুদ্রের ওপর রিয়েল‑টাইম গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহে ব্যবহার হবে, যা সীমান্ত নিরাপত্তা ও সামুদ্রিক নজরদারিকে শক্তিশালী করবে।

নয়াদিল্লিতে আজ ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেল অ্যাটমিক্স অ্যারোনটিক্যাল সিস্টেমস ইনকর্পোরেটেড (GAASI) সঙ্গে দুইটি MQ‑9B গার্ডিয়ান উচ্চ‑উচ্চতা, দীর্ঘ‑সহনশীলতা ড্রোন ভাড়া নিয়ে চুক্তি করা হয়েছে। এই ড্রোনগুলো সমুদ্রের ওপর থেকে রিয়েল‑টাইম গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহে ব্যবহার করা হবে, যাতে সীমান্ত রক্ষা ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।

MQ‑9B গার্ডিয়ান আধুনিক সেন্সর, উচ্চ রেজোলিউশনের ক্যামেরা ও রাডার সজ্জিত, যা সমুদ্রের বিস্তৃত অংশের ছবি তোলার পাশাপাশি জাহাজের চলাচল ও অস্বাভাবিক গতি শনাক্ত করতে সক্ষম। ভাড়া চুক্তি অনুযায়ী ড্রোনগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হবে ও মিশন শেষে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফিরে আসবে, ফলে অপারেশনাল ঝামেলা হ্রাস পাবে এবং টেকা সাশ্রয় হবে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই চুক্তি ভারতের সামরিক আধুনিকায়নের একটি বড় পদক্ষেপ। পূর্বের তুলনায় এখন ড্রোনের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহের গতি ও যথার্থতা বাড়বে, যা সীমান্তে চরম পরিস্থিতিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে সহায়ক হবে। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক বাজারে ড্রোন ভাড়া নেওয়ার মাধ্যমে দেশীয় উৎপাদনের ওপর নির্ভরতা কমবে, যা কৌশলগত স্বনির্ভরতা বাড়াবে।

চুক্তির আওতায় দুইটি ড্রোনের প্রযুক্তিগত রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রশিক্ষণও GAASI সরবরাহ করবে। তাই ভারতীয় পাইলট ও প্রযুক্তিবিদরা আধুনিক ড্রোন অপারেশন সম্পর্কে প্রশিক্ষণ পাবে, যা ভবিষ্যতে দেশীয় ড্রোন উৎপাদনের জন্য ভিত্তি গড়ে তুলবে। এই উদ্যোগের ফলে সমুদ্রের ওপর গোয়েন্দা নজরদারি শক্তিশালী হবে এবং দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা কাঠামো আরও মজবুত হবে।

উপসংহারে বলা যায়, MQ‑9B গার্ডিয়ান ড্রোন ভাড়া নিয়ে GAASI‑এর সঙ্গে স্বয়ংক্রিয় চুক্তি ভারতের নিরাপত্তা ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। সমুদ্রের ওপর রিয়েল‑টাইম গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে সীমান্ত রক্ষা, সামুদ্রিক অপরাধ প্রতিরোধ ও কূটনৈতিক স্বার্থ রক্ষা এখন আরও কার্যকর হবে। এ ধরনের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা দীর্ঘমেয়াদে দেশের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনকে সুদৃঢ় করবে।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX