
দেশে নাশকতার ছক বানচাল! ধৃত ২০০‑র বেশি জঙ্গি, জানালেন অমিত শাহ
নিরাপত্তা বাহিনীর সমন্বিত তল্লাশিতে ১৪টি রাজ্যে একসাথে ২০০‑র বেশি জঙ্গি গোষ্ঠীর সদস্য ধরা পড়েছে, যাঁরা পাকিস্তানি আইএসআই‑এর সঙ্গে যুক্ত ছিল।
নিরাপত্তা বাহিনী স্বাধীনতা দিবসের আগেই এক বিশাল নাশকতার ছক চালু করে দেশজুড়ে অতি গুরত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিল। কেন্দ্রীয় গোপনীয়তা মন্ত্রণালয়ের মুখ্য কর্মকর্তা অমিত শাহের মতে, একসাথে ২০০‑র বেশি জঙ্গি গোষ্ঠীর সদস্য ধরা পড়েছে, যাঁরা পাকিস্তানের গোপন সেবা আইএসআই (ISI)‑এর সঙ্গে যুক্ত ছিল।
এই কার্যক্রমের জন্য শূন্য‑সীমা ছাড়িয়ে ১৪টি রাজ্যে সমন্বিত তল্লাশি চালানো হয়। গৃহসামরিক দলে, হেভি নীতি, অ্যান্টি‑টেরর ইউনিটসহ বহু নিরাপত্তা সংস্থা একত্রে কাজ করে, গোপন রেডিও, চিঠিপত্র, আর্থিক রেকর্ডে ধরা পড়া নেটওয়ার্কের মূল গাঁট কাঁটা কাঁটা করে ধ্বংস করা হয়েছে।
অধিকাংশ ধরা পড়া জঙ্গিরা পূর্বে গুজরাটি, হরিয়ানা, দিল্লি ও পশ্চিমবঙ্গের কিছু এলাকায় গোপন শিবির গড়ে নিয়েছিল। ফাঁস হওয়া তথ্য অনুসারে, এসব শিবিরে পাকিস্তানি আইএসআই‑এর সরাসরি নির্দেশনা ও তহবিলের প্রবাহ চলত।
অমিত শাহ সরকারকে এ ধরনের গোপন অপারেশনকে "দেশের নিরাপত্তা কাঠামোর সর্বোচ্চ সুরক্ষার প্রতীক" বলে প্রশংসা করেন। তিনি জানান, এই ধ্বংসাত্মক নেটওয়ার্কের অবসান দেশের শত্রুদের বারবার হস্তক্ষেপের সুযোগ কমিয়ে দেবে এবং জনগণের নিরাপত্তা বাড়াবে।
সারসংক্ষেপে, একসাথে ১৪টি রাজ্যের সমন্বিত তল্লাশি এবং ২০০‑র বেশি জঙ্গি গোষ্ঠীর ধরা পড়া, পাকিস্তান‑আইএসআই‑এর গোপন নেটওয়ার্ককে ভেঙে দেয়া—এটি দেশের নিরাপত্তা পরিবেশে একটি বড় পরিবর্তন আনবে। ভবিষ্যতে এমন অপারেশনকে ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যাওয়া হলে দেশের সীমানা রক্ষায় আরও দৃঢ়তা আসবে।




