
হেলিকপ্টার ‘প্রচন্ড’ তৈরিতে আদানি ডিফেন্স‑BEML‑এর সঙ্গে HAL হাত মিলাল
হেলিকপ্টার ‘প্রচন্ড’ দ্রুত উৎপাদনের জন্য HAL, আদানি ডিফেন্স ও বিএমইল একসাথে কাজ করবে। এই যৌথ উদ্যোগ দেশে প্রতিরক্ষা শিল্পের স্বনির্ভরতা ও রপ্তানি সম্ভাবনা বাড়াবে।
নতুন হালকা যুদ্ধ হেলিকপ্টার ‘প্রচন্ড’ দ্রুত গড়ে তুলতে হেলিকপ্টার ডিজাইন ও উন্নয়ন সংস্থা (HAL) আজ আদানি ডিফেন্স ও বিএমইল (BEML)‑এর সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তি অনুযায়ী আদানি ডিফেন্স ও বিএমইল হেলিকপ্টারের কাঠামো, ইঞ্জিন ও এভিয়োনিক্স সরবরাহে অংশ নেবে, ফলে উৎপাদনের গতি বাড়বে এবং দেশীয় প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত হবে।
চুক্তি স্বাক্ষরের সময় HAL‑এর সভাপতি শ্যামলতা গাভা বললেন, ‘প্রচন্ড’ হেলিকপ্টারটি পুরোপুরি স্বদেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি হবে এবং এটি ভারতীয় সেনাবাহিনীর হালকা আক্রমণ ও রিকনসারেন্স মিশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আদানি ডিফেন্সের ম্যানেজিং ডিরেক্টর রমেশ গৌরব উল্লেখ করেছেন, এই অংশীদারিত্বে বেসরকারি খাতের দক্ষতা ও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার উৎপাদন ক্ষমতা একসাথে কাজ করবে, যা ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ নীতির সাফল্যকে ত্বরান্বিত করবে।
বিএমইল, যা মূলত ভূ-যান ও ট্র্যাক্টর তৈরিতে পারদর্শী, হেলিকপ্টারের গঠনমূলক অংশ ও সাপোর্ট সিস্টেমে সহযোগিতা করবে। এর ফলে হেলিকপ্টারের জীবনচক্র এবং রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কমে যাবে, যা শেষ পর্যন্ত শেষ ব্যবহারকারী — আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর জন্য সুবিধাজনক হবে।
এই যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে হেলিকপ্টার ‘প্রচন্ড’ প্রথম দিকের উৎপাদন ২০২৫ সালের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। সরকার ইতিমধ্যে এই প্রকল্পে আর্থিক সহায়তা ও নীতি সমর্থন প্রদান করেছে, যাতে দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের স্বনির্ভরতা বৃদ্ধি পায়।
উল্লেখযোগ্য যে, ‘প্রচন্ড’ হেলিকপ্টারটি আন্তর্জাতিক বাজারেও প্রতিযোগিতামূলক হতে পারে, ফলে রপ্তানি সম্ভাবনা বাড়বে এবং দেশের বাণিজ্যিক আয় বৃদ্ধি পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই সহযোগিতা দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা শক্তিশালী করার পাশাপাশি শিল্পের কর্মসংস্থান ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।




