অপারেশন সাফেদ সাগর: ১৮,০০০ ফুটের উচ্চতায় পাকিস্তানি ঘাঁটিতে শিহরণকর আঘাত
national18 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

অপারেশন সাফেদ সাগর: ১৮,০০০ ফুটের উচ্চতায় পাকিস্তানি ঘাঁটিতে শিহরণকর আঘাত

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

১৯৯৯ সালে অপারেশন সাফেদ সাগর ১৮,০০০ ফুটের উচ্চতায় পাকিস্তানি ঘাঁটির ওপর তীব্র আক্রমণ চালিয়ে কাশ্মীরের পারাপারের স্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।

১৯৯৯ সালের গ্রীষ্মে দেশের মনোযোগ ক্রিকেট বিশ্বকাপ থেকে সরে গিয়ে কাশ্মীর‑পাকিস্তান সীমান্তের দুর্গম, পাথুরে পাহাড়ে আটকে গিয়েছিল। মে মাসের শুরুর দিকে কাশ্মীরের কার্গিলের শীর্ষে অবস্থিত পাকিস্তানি ঘাঁটি হঠাৎ অস্বাভাবিক গতি পায়, যখন ভারতীয় সেনাবাহিনীর ‘অপারেশন সাফেদ সাগর’ চালু হয়। ভারতীয় বিমানবাহিনীর তেজস্ক্রিয় ফাইটার জেটগুলো ১৮,০০০ ফুটের উঁচুতে উঠে, সুনির্দিষ্টভাবে লক্ষ্যবস্তুতে উচ্চ-প্রেসার বোমা ও রকেট নিক্ষেপ করে, ফলে ঘাঁটির সংহতি ভেঙে যায় এবং শত্রুর মনোবল ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।

এই আক্রমণকে ‘উচ্চ-উচ্চতা আক্রমণ’ বলা হয়, কারণ শত্রুর পিক-সামনের উচ্চতা ছিলই না, তাই শত্রু বিমান বাহিনী প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে না। ভারতীয় এফ-১৫ এবং সি-১৭ যুদ্ধবিমানগুলো উচ্চ-উচ্চতায় সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা বজায় রেখে, তাপীয় সেন্সর ও রাডার সহায়তায় লক্ষ্যকে ধ্বংস করে।

অপারেশন সাফেদ সাগর কেবলমাত্র সামরিক জয়ই নয়, বরং আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ভারতের দৃঢ় অবস্থানও তুলে ধরেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য দেশ এই পদক্ষেপকে স্বীকৃতি দিয়ে, শান্তিপূর্ণ সমাধানের দিকে চাপ বাড়াতে সাহায্য করে।

কোমল পবনে শীঘ্রই শান্তি ফিরে আসবে, তবে কার্গিলের শীর্ষে গড়ে ওঠা এই যুদ্ধের ছাপ দীর্ঘদিনের জন্য স্মরণীয় থাকবে, যা ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর দক্ষতা ও দৃঢ়সংকল্পের সাক্ষ্য।

উপসংহারে বলা যায়, অপারেশন সাফেদ সাগর এক সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা, দ্রুত বাস্তবায়ন ও উচ্চ-উচ্চতার প্রযুক্তিগত দক্ষতার সমন্বয়ে গঠিত, যা পাকিস্তানি ঘাঁটির উপর শিকড় গাঁথে এবং অঞ্চলটিতে শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX