
রাফাল যুদ্ধবিমানে ‘অ্যান্টি-ড্রোন’ ব্যবস্থা— দ্রুত সরবরাহের প্রস্তুতি চলছে
দ্যাসো এভিয়েশন ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে ১২টি রাফাল বিমান হস্তান্তর করেছে এবং বছরের শেষে আর ১৬টি সরবরাহের পরিকল্পনা করেছে। নতুন ‘অ্যান্টি-ড্রোন’ ব্যবস্থা যুক্ত রাফাল বিমানগুলো দ্রুত ডেলিভারির প্রস্তুতি নিচ্ছে, যা আকাশ নিরাপত্তা বাড়াবে।
ফরাসি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান দ্যাসো এভিয়েশন ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে ১২টি রাফাল যুদ্ধবিমান হস্তান্তর করেছে এবং বছরের শেষের আগে আর ১৬টি বোমা-বাহক বিমান সরবরাহের পরিকল্পনা চালু করেছে। এই অর্ডারকে ত্বরান্বিত করতে ভারতের বিমানবাহিনী নতুন ‘অ্যান্টি-ড্রোন’ সিস্টেম যুক্ত রাফাল বিমানের দ্রুত ডেলিভারির প্রস্তুতি নিচ্ছে। সাম্প্রতিক ভিজিটে রক্ষামন্ত্রীর নির্দেশে, রাফাল ফ্লিটে ইনস্টল করা হবে উন্নত রাডার‑ভিত্তিক ড্রোন সনাক্তকরণ এবং স্বয়ংক্রিয় ধ্বংস ব্যবস্থা, যা শত্রু বেসামরিক ও সামরিক ড্রোনের আক্রমণকে প্রতিহত করতে সক্ষম হবে।
রাফাল বিমানগুলো ইতিমধ্যে ভারতের রক্ষামন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘ইন্ডাস্ট্রি ৪.০’ প্রকল্পের অংশ হিসেবে দেশীয় উৎপাদন লাইনে স্থান পেয়েছে। এই বিকাশের ফলে রাফাল ফ্লিটের ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং ভারত-ফ্রান্স কৌশলগত অংশীদারিত্বের নতুন মাত্রা গড়ে উঠবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তি যুক্ত রাফাল বিমানগুলো সীমান্তের উঁচু পর্বতে এবং সমুদ্র সীমারেখায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রস্তুতিগুলো ইতিমধ্যে ন্যাশনাল ডিফেন্স ল্যাবরেটরিতে শুরু হয়েছে, যেখানে রাফাল রোস্টার এবং ইন্ডিয়ান এয়ার ফোর্সের ইঞ্জিনিয়াররা একত্রে কাজ করছেন। এই সিস্টেমের সমন্বয় এবং পরীক্ষার কাজ দ্রুত শেষ করে, শীঘ্রই বিমানবাহিনীর হাতে নতুন সজ্জিত রাফাল কল্পনা করা হচ্ছে।
অবশেষে, রাফাল ফ্লিটের দ্রুত সরবরাহ এবং অ্যান্টি-ড্রোন ব্যবস্থা যুক্ত হওয়া দেশের আকাশ নিরাপত্তা কৌশলকে দৃঢ় করবে, এবং ভবিষ্যতে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।




