
দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র “কুশা”‑এর প্রথম সফল পরীক্ষা, ভারতকে দিলো কৌশলগত অগ্রগতি
DRDO এর “কুশা” দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের প্রথম সফল পরীক্ষা গুজরাটে সম্পন্ন হয়েছে, যা ২০০ কিলোমিটার পর্যন্ত লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে সক্ষম। এই সাফল্য ভারতকে আকাশসীমা রক্ষায় নতুন শক্তি দিচ্ছে।
ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (DRDO) আজকের দিনে ঘোষণা করেছে যে, দীর্ঘ দূরত্বের সুর্যাস্তে আকাশপথে আসা শত্রু বিমান ও মিসাইলকে ধ্বংস করার জন্য নকশা করা “কুশা” নামের ক্ষেপণাস্ত্রের প্রথম পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। পরীক্ষাটি উত্তর ভারতের গুজরাটের গন্ধি রেঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে উচ্চ গতির টেস্ট মিসাইল ব্যবহার করা হয়। সঠিক রাডার ট্র্যাকিং ও গাইড্যান্স সিস্টেমের মাধ্যমে “কুশা” লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে এবং তা নিঃশেষ করে, ফলে সিস্টেমের নির্ভুলতা ও কার্যক্ষমতা প্রমাণিত হয়েছে।
এই সফল পরীক্ষা ভারতকে আকাশসীমা রক্ষা করা ক্ষেত্রে নতুন এক মোড় দেয়। “কুশা” ২০০ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরত্বে লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে পারে এবং তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ত্রুটি নির্ণয় ও সংশোধন করার ক্ষমতা রাখে। ফলে ভবিষ্যতে শত্রু বিমান, ড্রোন ও ক্রুয়েজ মিসাইলের হুমকির মোকাবেলায় এই সিস্টেমকে প্রধান অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, “কুশা” ক্ষেপণাস্ত্রের উন্নয়ন ভারতকে কৌশলগত স্বনির্ভরতা অর্জনে সহায়তা করবে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিরক্ষা শিল্পে তার অবস্থানকে মজবুত করবে। এছাড়া, এটি দেশের রক্ষা ক্ষমতা বৃদ্ধি করে সীমান্তে শত্রুদের আক্রমণকে নিরুৎসাহিত করবে।
অবশেষে, সরকার ও DRDO একত্রে “কুশা” প্রকল্পকে দ্রুত উৎপাদন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে, যাতে শীঘ্রই এটি ভারতীয় সেনাবাহিনীর অস্ত্রাগারে যুক্ত হয়। এই পদক্ষেপ দেশের নিরাপত্তা কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করবে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় অবদান রাখবে।




