
নৌবাহিনীর শক্তি বৃদ্ধি, নৌবহরে যুক্ত হতে চলেছে যুদ্ধজাহাজ ‘মহেন্দ্রগিরি’
ভারতীয় নৌবাহিনী ২০২৬ সালের ১১ জুলাই বিশাখাপত্তনমে ষষ্ঠ ‘প্রজেক্ট‑১৭এ’ যুদ্ধজাহাজ ‘মহেন্দ্রগিরি’ নৌবহরে যুক্ত করতে চলেছে। স্টেলথ প্রযুক্তি ও স্বদেশীয় শস্ত্রের সমন্বয়ে এই জাহাজ দেশের সমুদ্র শক্তি বাড়াবে।
ভারত ক্রমাগত তার প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়িয়ে চলেছে, আর এই ধারায় নৌবাহিনীর সর্বশেষ অর্জন হলো দেশীয়ভাবে নির্মিত স্টেলথ ফ্রিগেট ‘মহেন্দ্রগিরি’। এই যুদ্ধজাহাজটি ২০২৬ সালের ১১ জুলাই, বিশাখাপত্তনমে নৌবাহিনীর ষষ্ঠ ‘প্রজেক্ট‑১৭এ’ সিরিজের অংশ হিসেবে নৌবহরে যোগ দেবে বলে জানানো হয়েছে।
‘মহেন্দ্রগিরি’কে আধুনিক সেন্সর, দীর্ঘ পরিসরের শস্ত্র এবং কম রাডার দৃশ্যমানতা দিয়ে সজ্জিত করা হয়েছে, যা তাকে শত্রু নৌবাহিনীর সনাক্তকরণ থেকে রক্ষা করবে। গৌরবময় বোম্বার, এয়ারডিফেন্স মিসাইল এবং টর্চেসের সংমিশ্রণ তাকে সমুদ্রের নিরাপত্তা রক্ষায় বহুমুখী ক্ষমতা প্রদান করবে।
বিশাখাপত্তনমের গৃহীত গৃহোন্নয়ন কারখানা, গৃহে তৈরি ইলেকট্রনিক্স এবং স্বদেশীয় জাহাজ নির্মাণের ধারাবাহিকতা, নৌবাহিনীর স্বাবলম্বিতা বাড়িয়ে তুলবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের প্রযুক্তিগত স্বয়ংসম্পূর্ণতা এবং রপ্তানি সম্ভাবনাও সুদৃঢ় হবে, যা ভারতকে সমুদ্র শক্তির মানচিত্রে উচ্চস্থান দেবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘মহেন্দ্রগিরি’ নৌবাহিনীর সামরিক কাঠামোকে শক্তিশালী করে, পাশাপাশি আশিয়ার নৌদলীয় ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা রক্ষায় ভারতীয় নৌবাহিনীর আত্মবিশ্বাস বাড়বে, এবং সমন্বিত প্রতিরক্ষা নীতি আরও দৃঢ় হবে।
সর্বশেষে, ‘মহেন্দ্রগিরি’র নিঃশব্দ গতি ও আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রের সংযোজন নৌবাহিনীর সামরিক শক্তি বৃদ্ধিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে, যা দেশের নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় অবদান রাখবে।




