লালমনিরহাট সীমান্তে বালি-পাথর পাচার রুখল বিএসএফ, সতর্ক করতে ছোড়া হলো গুলি
international18 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

লালমনিরহাট সীমান্তে বালি-পাথর পাচার রুখল বিএসএফ, সতর্ক করতে ছোড়া হলো গুলি

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

লালমনিরহাটের বুড়িমারী সীমান্তে অবৈধ বালি ও পাথর উত্তোলনের চেষ্টা রুখল বিএসএফ। পাচারকারীদের সতর্ক করতে গুলি চালানো হলে তারা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের লালমনিরহাট সংলগ্ন পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী এলাকায় অবৈধভাবে বালি ও পাথর উত্তোলনের চেষ্টা রুখল ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। সীমান্ত এলাকায় সক্রিয় একদল বাংলাদেশি নাগরিকের এই অসাধু কারবার নজরে আসতেই দ্রুত ব্যবস্থা নেয় বিএসএফ জওয়ানরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং পাচারকারীদের সতর্ক করতে আকাশপথে বা স্থলপথে নজরদারির পাশাপাশি সতর্কতামূলক গুলি চালানো হয়।

সূত্রের খবর, দীর্ঘদিন ধরেই বুড়িমারী সীমান্ত এলাকায় বালি ও পাথরের অবৈধ উত্তোলনের চেষ্টা চলে আসছে। এবারও একদল পাচারকারী সুযোগ বুঝে সীমান্ত এলাকা থেকে বালি ও পাথর সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছিল। তবে বিএসএফ-এর কড়া নজরদারির কারণে তাদের সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। জওয়ানরা যখন তাঁদের বাধা দিতে শুরু করেন, তখন পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। শেষ পর্যন্ত সতর্ক করতে গুলি চালানো হলে আতঙ্কিত হয়ে পালিয়ে যায় ওই দল।

সীমান্তবর্তী এলাকার এই ধরণের অবৈধ কার্যকলাপ কেবল অর্থনৈতিক ক্ষতিই করে না, বরং দুই দেশের নিরাপত্তা ও সম্পর্কের ক্ষেত্রেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। বিএসএফ আধিকারিকদের মতে, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান এবং প্রাকৃতিক সম্পদ চুরি রুখতে তারা সর্বদা তৎপর। বিশেষ করে বর্ষার মরসুমে বা নদীগর্ভ সংলগ্ন এলাকায় এই ধরণের তৎপরতা বৃদ্ধি পায়, যার জন্য নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে।

ঘটনার পর ওই এলাকায় ব্যাপক তল্লাশি চালানো হয়েছে। যদিও ওই পাচারকারীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে, তবে বিএসএফ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে সীমানার নিরাপত্তা রক্ষায় কোনো আপস করা হবে না। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ভারতীয় বাহিনীর এই কড়া পদক্ষেপের ফলে আগামীতে সীমান্ত এলাকায় অবৈধ বালি ও পাথর উত্তোলনের সাহস হয়তো কমে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

সামগ্রিকভাবে, সীমান্তে সতর্কতামূলক এই পদক্ষেপ দুই দেশের সীমান্ত ব্যবস্থার কঠোরতাকেই প্রমাণ করে। বিএসএফ-এর তৎপরতায় বড়সড় এক আর্থিক চুরি রুখে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, এই ঘটনার পর ওই এলাকার চোরাচালান চক্রের ওপর আরও কতটা চাপ তৈরি হয়।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX