ফের ছুটবে ভারত-বাংলাদেশ যাত্রীবাহী ট্রেন? রেল কর্মকর্তাদের তিন দিনের হাই-ভোল্টেজ বৈঠক শুরু ঢাকায়
international19 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

ফের ছুটবে ভারত-বাংলাদেশ যাত্রীবাহী ট্রেন? রেল কর্মকর্তাদের তিন দিনের হাই-ভোল্টেজ বৈঠক শুরু ঢাকায়

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে স্থগিত থাকা যাত্রীবাহী ট্রেন পরিষেবা পুনরায় চালু করতে ঢাকায় শুরু হয়েছে তিন দিনের উচ্চপর্যায়ের রেল বৈঠক। দুই দেশের যাতায়াত ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সহজ করতে এই আলোচনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

দীর্ঘদিন ধরে স্থগিত থাকা ভারত ও বাংলাদেশ between-এর যাত্রীবাহী ট্রেন পরিষেবা পুনরায় চালু করার লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ নিল দুই দেশের রেল কর্তৃপক্ষ। এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনার জন্য বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় শুরু হয়েছে দুই দেশের উচ্চপদস্থ রেল কর্মকর্তাদের একটি ত্রি-দিবসীয় গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। দুই দেশের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও মজবুত করতে এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াত সহজ করতে এই বৈঠকের গুরুত্ব অপরিসীম।

বৈঠকের মূল ফোকাস হলো যে সমস্ত যাত্রীবাহী ট্রেন পরিষেবা বর্তমানে বন্ধ রয়েছে, সেগুলিকে দ্রুত পুনরায় চালু করা। কোভিড পরবর্তী সময়ে এবং বিভিন্ন কারিগরি ও প্রশাসনিক কারণে বেশ কিছু ট্রেন পরিষেবা থমকে গিয়েছিল। এখন দুই দেশের রেল আধিকারিকরা বসে আলোচনা করছেন কীভাবে দ্রুত সেই বাধাগুলি দূর করে ট্রেনের চাকা ফের ঘোরানো যায়। এতে শুধু সাধারণ যাত্রীরাই উপকৃত হবেন না, বরং দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কও আরও সুদৃঢ় হবে।

রেল কর্মকর্তাদের এই আলোচনায় কেবল ট্রেন চালু করাই নয়, বরং রেললাইনের আধুনিকীকরণ, সিগন্যালিং ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং আন্তঃসীমান্ত যাতায়াতের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়গুলিও উঠে এসেছে। বিশেষ করে ট্রেনের সময়সূচী নির্ধারণ এবং টিকিটিং প্রক্রিয়ার আধুনিকীকরণ নিয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা করা হচ্ছে, যাতে যাত্রীদের কোনো ধরনের অসুবিধা না হয়।

দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের পরিপ্রেক্ষিতে এই রেল বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। রেল যোগাযোগ বৃদ্ধি পেলে পর্যটন শিল্প যেমন লাভবান হবে, তেমনই সাধারণ মানুষের মধ্যে পারস্পরিক মেলবন্ধন আরও বাড়বে। আশা করা হচ্ছে, তিন দিনের এই ম্যারাথন আলোচনার শেষে একটি চূড়ান্ত রূপরেখা তৈরি হবে, যার ফলে খুব শীঘ্রই ট্রেনের হুইসেল শোনা যাবে দুই দেশের সীমান্তে।

সামগ্রিকভাবে, এই বৈঠকটি ভারত ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক ইতিবাচক সংকেত। রেল পরিষেবা পুনরায় চালু হলে যাতায়াতের খরচ কমবে এবং সময় বাঁচবে। এখন দেখার বিষয়, বৈঠকের পর রেল মন্ত্রক থেকে ঠিক কবে থেকে ট্রেন পরিষেবা শুরুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX