
ফের পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মীরপুরে গুলি চালাল পাকিস্তানি সেনা! নিহত ১২
পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর গুলিবর্ষণে মীরপুরে নূন্যতম ১২ জনের মৃত্যু ঘটেছে। ঘটনায় নাগরিকদের ওপর হিংসা চালিয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
পাক অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরের (POJK) মীরপুরে আজ সকালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর গুলিবর্ষণে নাগরিকদের ওপর ধারালো হিংসা চালানো হয়, ফলে অন্তত ১২ জনের প্রাণ ত্যাগ করেছে। স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়ে দিলেন, গুলির লক্ষ্য ছিল শান্তিপূর্ণ বাসিন্দা ও বাজারে ঘুরে বেড়ানো মানুষ, যাদের কোনো সশস্ত্র প্রতিরোধের ইঙ্গিত ছিল না। গুলিবর্ষণের মুহূর্তে গলিতে একাধিক গাড়ি থেমে গিয়েছিল এবং স্নায়ুজনিত আতঙ্কে লোকজন ছুটে পালিয়ে যায়।
স্থানীয় রোগী ও নার্সদের মতে, আহতদের মধ্যে বেশিরভাগই গৃহস্থালি নারী ও শিশু, যারা গুলির নিক্ষেপে চমকে গিয়ে আহত হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের অবস্থা গুরুতর, এবং দ্রুত চিকিৎসা না পেলে মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছানো মানবিক সংস্থা ও স্বেচ্ছাসেবকরা তৎক্ষণাৎ সহায়তা প্রদান করেছে, তবে নিরাপত্তা গ্যারান্টি না থাকায় আরও সাহায্য পৌঁছাতে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে।
এই গুলিবর্ষণ ঘটার পর, মীরপুরের মানুষদের মধ্যে অব্যাহত ক্ষোভ ও উদ্বেগের স্রোত বেড়ে গেছে। প্রতিবাদকারী তরুণদের নেতৃত্বে শান্তিপূর্ণ রেলি শুরু হয়, যেখানে তারা 'শান্তি ও স্বাধীনতা'কে সমর্থন জানায়। তবে, নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি ও হুমকি তাদের নীরব করে রাখে, ফলে পরিস্থিতি আরও তীব্র হয়ে ওঠে।
বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন, পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের এই ধরনের হিংসা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজরে আনা প্রয়োজন, যাতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে ত্বরিত পদক্ষেপ নেওয়া যায়। ভারতের সঙ্গে কাশ্মীরের সমস্যার সমাধান নিয়ে চলমান আলোচনায় এই ঘটনা নতুন করে উত্তেজনা বাড়িয়ে দেবে এবং দু'দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
উপসংহারে বলা যায়, মীরপুরে গুলিবর্ষণের ফলে মানুষের মৌলিক অধিকার হরণ হয়েছে এবং তা অবিলম্বে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার হস্তক্ষেপের দাবি রাখে। এই ট্র্যাজেডি যেন ভবিষ্যতে পুনরাবৃত্তি না হয়, এ জন্য সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করা জরুরি।




