রুশ সেনা ‘ফ্যাব‑৩০০০’ গ্লাইড বোমা ব্যবহার করে ইউক্রেনে ৩ টনের “সুপার‑অস্ত্র” নিক্ষেপ
international1 দিন আগে১ মিনিট পড়ুন

রুশ সেনা ‘ফ্যাব‑৩০০০’ গ্লাইড বোমা ব্যবহার করে ইউক্রেনে ৩ টনের “সুপার‑অস্ত্র” নিক্ষেপ

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

রাশিয়া ‘ফ্যাব‑৩০০০’ গ্লাইড বোমা ব্যবহার করে ইউক্রেনের ওরিখোভ ও শচুরোভো এলাকায় তিন টনের বিশাল ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। এই বোমা সোভিয়েত যুগের পুরোনো মডেলকে আধুনিক প্রযুক্তি দিয়ে “সুপার‑অস্ত্র” রূপে রূপান্তরিত করেছে, যা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

রাশিয়া তার সর্বোচ্চ ক্ষমতার গ্লাইড বোমা ‘ফ্যাব‑৩০০০’ (FAB‑3000) ব্যবহার করে ইউক্রেনের ওরিখোভ ও শচুরোভো এলাকায় তীব্র আক্রমণ চালিয়েছে। মোট ওজন তিন টন এই বোমাগুলো এক মুহূর্তে বিশাল ধ্বংসযজ্ঞের সৃষ্টি করে, যা রাশিয়ার সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করছে বলে বিশ্লেষকরা উল্লেখ করছেন। বোমা নিক্ষেপের পর নিকটবর্তী গৃহ এবং অবকাঠামোতে বড় ধাক্কা লেগে, বহু পরিবার তীব্র স্নায়ু‑সংকটের মুখে পড়েছে।

বোমার গ্লাইড সিস্টেম উচ্চ উচ্চতা থেকে নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছায়, ফলে ঐ অঞ্চলের সামরিক ও নাগরিক প্রতিষ্ঠানগুলো তৎক্ষণাৎ ধ্বংসের শিকার হয়। বিশেষজ্ঞরা জানিয়ে দেয়, ‘ফ্যাব‑৩০০০’ বোমা সোভিয়েত যুগের পুরোনো মডেল, তবে আধুনিক রাডার‑বিপত্তি ও গাইডেন্স সিস্টেম যুক্ত করে রাশিয়া এটিকে “সুপার‑অস্ত্র” রূপে পুনরায় কাস্টমাইজ করেছে। এই পরিবর্তন রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর উচ্চতর আক্রমণ ক্ষমতা ও কৌশলগত সুবিধা বাড়িয়ে দেয়।

ইউক্রেনের সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, ওরিখোভ ও শচুরোভো এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসসাধন হয়েছে; মৃত ও আহত সংখ্যার সঠিক হিসাব এখনও পরিষ্কার হয়নি। তবে স্থানীয় প্রশাসন জরুরি সেবা ও উদ্ধার কর্মে ব্যস্ত, শীঘ্রই আহতদের চিকিৎসা ও ক্ষতিগ্রস্ত গৃহ পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি এই ঘটনার ওপর কেন্দ্রীভূত হয়েছে, যেখানে রাশিয়ার এই “সুপার‑অস্ত্র” ব্যবহারকে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকরা সতর্ক করে দিচ্ছেন, রাশিয়ার ‘ফ্যাব‑৩০০০’ বোমা পুনরায় অস্ত্রায়ন করা মানে ভবিষ্যতে আরো বৃহৎ ধ্বংসক্ষমতা সম্পন্ন গ্লাইড বোমা ব্যবহারের সম্ভাবনা বাড়বে। তাই, ইউক্রেন ও তার মিত্রদের উচিত কৌশলগতভাবে প্রতিরোধ গঠন করা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে একত্রে কাজ করে এই ধরনের “সুপার‑অস্ত্র”ের বিস্তার রোধে চাপা দিতে হবে। সমগ্র অঞ্চলের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য তৎক্ষণাৎ কূটনৈতিক ও সামরিক পদক্ষেপের প্রয়োজন স্পষ্ট।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX