ঢাকা হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রহস্যময় ঘটনা—মালয়েশিয়াগামী ৭০‑এর বেশি যাত্রী অচেনা ভাবে উধাও
international9 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

ঢাকা হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রহস্যময় ঘটনা—মালয়েশিয়াগামী ৭০‑এর বেশি যাত্রী অচেনা ভাবে উধাও

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মালয়েশিয়া গন্তব্যের ফ্লাইটে ৭০‑এর বেশি যাত্রী অদৃশ্য হওয়ার রহস্যময় ঘটনা ঘটেছে; নিরাপত্তা দপ্তর তাত্ক্ষণিক তদন্ত শুরু করেছে এবং পরিবারকে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য হেল্পলাইন চালু করেছে।

শুক্রবার রাতে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটেছে, যেখানে মালয়েশিয়া গন্তব্যের ফ্লাইটে সইত ৭০ জনের বেশি যাত্রী হঠাৎ অদৃশ্য হয়ে গেছেন। ফ্লাইটটি প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমানের মালয়েশিয়া সফরের কয়েকদিন আগে নির্ধারিত ছিল এবং রাতের শেষ দিকে সিকিউরিটি চেক‑পয়েন্টে যাত্রীদের তালিকা যাচাই করা হয়। তবে চেক‑ইন শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রেকর্ডে দেখা যায় যে কিছু নাম অনুপস্থিত, ফলে সিচুয়েশনটি দ্রুতই রপ্তালির দৃষ্টিতে উঠে আসে।

বিমানবন্দরের নিরাপত্তা দপ্তর স্পষ্ট করে জানায় যে, এই ধরণের ঘটনা পূর্বে কখনো ঘটেনি এবং তাত্ক্ষণিকভাবে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায় যে, যাত্রীরা সিকিউরিটি গেটের পাশের লম্বা করিডোরে গিয়ে অচেনা পথে অদৃশ্য হয়েছেন, যেখানে কোনো ক্যামেরা রেকর্ডিং নেই। এ বিষয়ে বিমানবন্দরের প্রধান রক্ষাকর্তা বলছেন, "আমরা সুনির্দিষ্ট সময়ে সকল যাত্রীর উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করছি, তবে এই অস্বাভাবিক ঘটনার পেছনে কী কারণ আছে তা এখনও অজানা।"

প্রতিষ্ঠিত বিমান সংস্থা ও ট্যুর অপারেটরদের সঙ্গে সমন্বয় করে, ঢাকা বিমানবন্দরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বললেন, "যাত্রীর নিরাপত্তা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তাই আমরা সকল প্রাসঙ্গিক সংস্থা, স্থানীয় পুলিশ এবং আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থার সঙ্গে সম্পূর্ণ সহযোগিতায় তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছি।" এছাড়া, অনুপস্থিত যাত্রীদের পরিবারকে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য বিশেষ হেল্পলাইন চালু করা হয়েছে।

এই অস্বাভাবিক ঘটনার ফলে দেশের অভ্যন্তরে এবং আন্তর্জাতিক পর্যটকদের মধ্যে ভয় বাড়ার আশংকা দেখা দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করছেন যে, যদি এই ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তি হয়, তবে তা দেশের পর্যটন শিল্পে ক্ষয়কারী প্রভাব ফেলতে পারে এবং ভবিষ্যতে নিরাপত্তা ব্যবস্থার পুনর্বিবেচনার প্রয়োজনীয়তা বাড়বে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট সূত্র পাওয়া যায়নি যে, যাত্রীরা কোনো অপরাধমূলক কার্যকলাপে জড়িত ছিলেন।

উপসংহারে বলা যায়, ঢাকা বিমানবন্দরে ঘটিত এই রহস্যময় ঘটনা এখনও পুরোপুরি সমাধান হয়নি, তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে তদন্তকে অগ্রগতি দিচ্ছেন। যাত্রীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সকল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং ভবিষ্যতে এধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সিকিউরিটি প্রোটোকলকে শক্তিশালী করা হবে।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX