
বাধা কাটিয়ে ভারতমুখী বাংলাদেশ! ভিসা নিতে হুড়োহুড়ি, কেন এই ভিড়?
দুই বছর পর ভারত সরকার বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ট্যুরিস্ট ভিসা পুনরায় চালু করেছে। ভিসা কেন্দ্রগুলোতে ভিড়ের শিকায় অপেক্ষা বাড়ছে, তবে এই পদক্ষেপ দু-দেশের পর্যটন ও বাণিজ্যিক সম্পর্ককে ত্বরান্বিত করবে।
দুই বছর পর ভারত সরকার অবশেষে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ট্যুরিস্ট ভিসা পরিষেবা পুনরায় চালু করেছে। ঘোষণার মাত্র এক দিন পরে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও অন্যান্য শহরের ভিসা অফিসে দীর্ঘ কিউ গঠিত হয়েছে, যেখানে প্রত্যেকের মুখে উত্তেজনা আর উদ্বেগের মিশ্রণ দেখা যাচ্ছে। ভিসা নিতে হুড়োহুড়ি, কারণ আগের দু-বছরের নিষেধাজ্ঞা শেষে এখন সবাই একসাথে ভারতীয় ভ্রমণ পরিকল্পনা করে আছে।
ভিসা কেন্দ্রগুলোতে রিকোয়েস্ট ফরম পূরণ, পাসপোর্ট যাচাই ও ফি জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে গড়ে ৪০ মিনিট সময় লাগছে, তবে ভিড়ের কারণে কিছু আবেদনকারী ২-৩ ঘণ্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বাধ্য হচ্ছে। বেশিরভাগ মানুষ ট্যুরিস্ট ভিসা পেতে ১,২০০ টাকার ফি দিচ্ছেন, এবং তা দ্রুত সম্পন্ন না হলে তাদের ট্রাভেল পরিকল্পনা বিপর্যস্ত হয়ে যায়। এই মুহূর্তে ভিসা পেতে চাওয়া মানুষের সংখ্যা সেকেলে ১০,০০০-এর বেশি বলে অনুমান করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভিসা পরিষেবার পুনরায় চালু হওয়া কেবল পর্যটন নয়, ব্যবসা ও শিক্ষা সংক্রান্ত আদান-প্রদান বাড়াবে। দু-তিন মাসের মধ্যে ভারতীয় ভ্রমণকারীর সংখ্যা দিগন্তে নতুন রেকর্ড স্থাপন করতে পারে, যা দু-দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও মজবুত করবে। তবে সরকারকে সেবা গতি বাড়িয়ে দীর্ঘ কিউ দূর করার জন্য অতিরিক্ত কাউন্টার ও কর্মী নিয়োগের প্রয়োজন রয়েছে।
উপসংহারে বলা যায়, ভিসা পরিষেবা পুনরায় চালু হওয়া দু-দেশের বন্ধুত্বের নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে, তবে তা সত্যিকারের কার্যকর করার জন্য প্রশাসনিক সুদূরপ্রসারী ব্যবস্থা দরকার। ভ্রমণ উৎসাহীদের জন্য এখন সময় এসেছে, তবে ধৈর্য ও পরিকল্পনা ছাড়া এই সুযোগের পূর্ণ সুবিধা নেওয়া সম্ভব নয়।




