
৩৬ দিন ধারাবাহিক প্রতিবাদের পর পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুককে করা হল হাসপাতাল থেকে ছাড়ার ব্যবস্থা
টানা ৩৬ দিনের প্রতিবাদ শেষ হওয়ার পর সোনম ওয়াংচুককে হাসপাতাল থেকে ছাড়া দেওয়া হবে। তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল ও স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটেছে, যা পরিবেশ আন্দোলনের জন্য ইতিবাচক সংকেত।
নয়াদিল্লিতে টানা ৩৬ দিন চলা প্রতিবাদ শেষ হওয়ার একদিন পরই পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুককে হাসপাতালে ছাড়া দেওয়া হবে। রোগী বিভাগে জানিয়ে আছে, দীর্ঘ সময়ের নিঃশ্বাসহীন বিক্ষোভের কারণে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হয়েছে এবং চিকিৎসকরা তাকে বাড়ি ফেরার অনুমতি দিয়েছেন।
সোনমের এই প্রতিবাদ ছিল দিল্লি সরকার কর্তৃক গৃহীত হাইড্রো-ইনফ্রাস্ট্রাকচার নীতি ও বন্যা ঝুঁকি বাড়ানোর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে। তার সঙ্গে যুক্ত দলীয় সদস্যরা রাস্তায় লম্বা শৃঙ্খলে দাঁড়িয়ে, ন্যায়বিচার ও পরিবেশ সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছেন। প্রতিবাদ চলাকালীন সোনমকে গ্যাস্ট্রিক সমস্যায় ভুগতে হয়, যা তার শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি কমিয়ে দেয়।
হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছে, সোনমের রক্তচাপ স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে এসেছে এবং তার শারীরিক শক্তি পুনরুদ্ধার চলছে। চিকিৎসকরা পরামর্শ দিচ্ছেন, তিনি আরামদায়ক পরিবেশে বিশ্রাম নিলে দ্রুত সুস্থতা পাবেন। তার সহকর্মীরা তাকে বাড়ি ফেরার আগে এক সপ্তাহের বিশ্রামকালে পর্যবেক্ষণ করার পরিকল্পনা করেছে।
এই ঘটনার পর, পরিবেশ সংস্থাগুলো পুনরায় গঠনমূলক নীতি তৈরির আহ্বান জানিয়েছে এবং সোনমের স্বাস্থ্যের উন্নতি নিয়ে আনন্দ প্রকাশ করেছে। তিনি যে ধৈর্য ও সংকল্পের সঙ্গে প্রতিবাদ চালিয়েছেন, তা ভবিষ্যতে আরও পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধিতে প্রেরণা দেবে।
উপসংহারে, সোনম ওয়াংচুকের হাসপাতাল থেকে ছাড়ার সিদ্ধান্ত শুধু তার ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যের জন্যই নয়, বরং পরিবেশ সংরক্ষণের আন্দোলনের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। তার অভিজ্ঞতা এবং প্রতিবাদে অর্জিত সাফল্য, আগামী দিনে নীতি পরিবর্তনে নতুন দৃষ্টিকোণ এনে দেবে।




