** মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ইসকনে রথযাত্রা ২০২৬‑এর শুভারম্ভ
general6 ঘণ্টা আগে২ মিনিট পড়ুন

** মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ইসকনে রথযাত্রা ২০২৬‑এর শুভারম্ভ

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

** মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রথযাত্রা ২০২৬‑এর সূচনা করে শ্রীকৃষ্ণের প্রতি ভক্তি ও সামাজিক সংহতির বার্তা দেন। রথের রঙিন ভ্রমণ ও আন্তর্জাতিক মিডিয়ার উপস্থিতি ইসকনের ঐতিহ্যকে নতুন দিগন্তে পৌঁছে দেয়। **IMAGE_KEYWORDS:** ইসকন রথযাত্রা, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, শ্রীকৃষ্ণ মন্দির **TAGS:** রথযাত্রা, ইসকন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ধর্মীয় অনুষ্ঠান, কলকাতা **CATEGORY:** politics

** বৃহস্পতিবার বিকাল ১২টার কিছু পরে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতার ইসকন মন্দিরে উপস্থিত হয়ে ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রার সূচনা করলেন। মন্দিরের প্রধান দরজা দিয়ে প্রবেশের সময় তিনি ভিড়ের হর্ষধ্বনি ও তালি শোনা গেল, যেখানে হাজারো ভক্ত ও পর্যটক একত্রে রথের গৌরবময় প্রবেশের অপেক্ষা করছিলেন। মন্দীর প্রধান পুরোহিতের সঙ্গে সামনের দিকে রথের শোভা রঙিন দাড়ি ও গীতিকবিতা দিয়ে সাজিয়ে, মুখ্যমন্ত্রী রথের সামনে দণ্ড নিয়ে অগ্রসর হলেন।

রথযাত্রার শুরুর আগে মুখ্যমন্ত্রী এক সংক্ষিপ্ত ভাষণ দিয়ে রথযাত্রার ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব তুলে ধরলেন। তিনি বলেন, “এই রথযাত্রা শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়; এটি আমাদের সংস্কৃতি, ঐক্য ও সমন্বয়ের প্রতীক। সকল ধর্মের মানুষ একে অপরকে সম্মান করে যদি এই ঐতিহ্যকে সম্মান জানায়, তবে সমাজে শান্তি ও সমৃদ্ধি আসবে।” তাঁর কথা শোনার পর মন্দিরের শ্রীশ্রী শ্রীভগবান শ্রীকৃষ্ণের মূর্তির সামনে সাদা সিন্দুর ও লাল ফুলের আঙুলে চূড়ান্ত আচার সম্পন্ন হল।

রথযাত্রা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রথটি সোনার বর্ণে সজ্জিত হয়ে মন্দিরের সিঁড়ি থেকে বেরিয়ে নগরীর প্রধান রাস্তায় অগ্রসর হল। রথের পেছনে তাবল ও ড্রাম বাজিয়ে নৃত্যশিল্পীরা নাচলেন, আর ভক্তরা নিত্যপ্রচলিত “হে শ্রীকৃষ্ণ” গানে মাতাল হয়ে গিয়ে গাড়ি-গাড়ি রথের দিকে হাত উঁচিয়ে দিলেন। পুরো আয়োজনে নিরাপত্তা শক্তি বাড়িয়ে, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের জন্য গার্ডে ও রিকশা চালকদের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়, যাতে ভিড়ের কোনো অসুবিধা না হয়।

এইবারের রথযাত্রা পূর্বের তুলনায় বেশি আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। বহু বিদেশি পর্যটক ও মিডিয়া দল ইসকনে উপস্থিত হয়ে, রথযাত্রার রঙিন দৃশ্য ও মন্দিরের আচার-অনুষ্ঠানকে ক্যামেরায় ধারণ করছে। বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেন, এ ধরণের বড়ো ধর্মীয় অনুষ্ঠান শহরের পর্যটন খাতের জন্য অমূল্য সম্পদ, যা হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও স্থানীয় ব্যবসার বিক্রয় বাড়ায়। মুখ্যমন্ত্রীর অংশগ্রহণই এ অনুষ্ঠানকে এক অতিরিক্ত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে স্থাপন করেছে, যা জনগণের সঙ্গে সংযোগের এক নতুন দৃষ্টান্ত।

সারসংক্ষেপে, রথযাত্রার শুভারম্ভে মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতি কেবল ধর্মীয় ঐতিহ্যের পুনর্জীবনই নয়, বরং সামাজিক সংহতি ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির বার্তা বহন করেছে। ইসকনের রথযাত্রা, যেহেতু দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষের মিলনস্থল, তা ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর আকারে চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা করা যায়।

**EXCERPT:** মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রথযাত্রা ২০২৬‑এর সূচনা করে শ্রীকৃষ্ণের প্রতি ভক্তি ও সামাজিক সংহতির বার্তা দেন। রথের রঙিন ভ্রমণ ও আন্তর্জাতিক মিডিয়ার উপস্থিতি ইসকনের ঐতিহ্যকে নতুন দিগন্তে পৌঁছে দেয়।

**IMAGE_KEYWORDS:** ইসকন রথযাত্রা, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, শ্রীকৃষ্ণ মন্দির

**TAGS:** রথযাত্রা, ইসকন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ধর্মীয় অনুষ্ঠান, কলকাতা

**CATEGORY:** politics

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX