আইআইটি রুরকী প্রাক্তন ছাত্রের ‘কগনিটিভ পদ্ধতি’— প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা প্রস্তুতিতে নতুন দিগন্ত
education9 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

আইআইটি রুরকী প্রাক্তন ছাত্রের ‘কগনিটিভ পদ্ধতি’— প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা প্রস্তুতিতে নতুন দিগন্ত

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

আইআইটি রুরকী প্রাক্তন ছাত্র ব্রিজেশ শ্রীবস্তা তার দশকের অভিজ্ঞতা ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি কগনিটিভ প্রস্তুতি পদ্ধতি গড়ে তুলছেন। বই, ডিজিটাল রিসোর্স এবং মেন্টরশিপের সমন্বয়ে তিনি শিক্ষার্থীর আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে পরীক্ষার ফলাফল উন্নত করার লক্ষ্য রাখছেন।

ব্রিজেশ চন্দ্র শ্রীবস্তা, আইআইটি রুরকী থেকে স্নাতক হওয়া এক অভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার, তার সঞ্চিত দশকের কাজের অভিজ্ঞতা ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের এবং তরুণ ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য একটি বিশেষ কগনিটিভ পদ্ধতি গড়ে তুলছেন। তিনি বই, ডিজিটাল লার্নিং রিসোর্স এবং ইঞ্জিনিয়ারিং মেন্টরশিপের সমন্বয়ে একটি সমগ্রিক সিস্টেম তৈরি করেছেন, যা পরীক্ষার প্রশ্ন বিশ্লেষণ, স্মরণশক্তি বৃদ্ধি এবং সমস্যার সমাধানকে সহজ করে। তার মতে, শুধুমাত্র রাট করা নয়, বরং যুক্তি ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে জ্ঞানকে জীর্ণ করতে হবে।

প্রতি বছর শ্রীবস্তা তাঁর কর্মশালা এবং অনলাইন সেশনের মাধ্যমে হাজারের বেশি শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছান। তিনি একাধিক বিশ্ববিদ্যালয় ও কোচিং সেন্টারের সঙ্গে সমন্বয় করে সেমিনার ও ওয়েবিনার আয়োজন করেন, যেখানে তিনি বাস্তব প্রকল্পের উদাহরণ দিয়ে পরীক্ষার প্যাটার্ন বিশ্লেষণ করেন। তার পদ্ধতি অনুসরণ করে যারা প্রস্তুতি নেয়, তারা পরীক্ষার সময় মানসিক চাপ কমে এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ে বলে জানান।

শ্রীবস্তা আরও জোর দিয়ে বলেন, ডিজিটাল রিসোর্সের ব্যবহার শিক্ষার্থীর সময় বাঁচায় এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে অগ্রগতি ট্র্যাক করতে সাহায্য করে। তিনি নিজস্ব তৈরি করা অ্যাপের মাধ্যমে দৈনিক পরিকল্পনা, মক টেস্ট এবং ফিডব্যাক সিস্টেম চালু করেছেন, যা শিক্ষার্থীর শক্তি ও দুর্বলতা চিহ্নিত করে যথাযথ পরামর্শ দেয়। এভাবে তিনি শুধু শিক্ষার্থীর প্রস্তুতি নয়, বরং তাদের ক্যারিয়ার গঠনে মেন্টরশিপের ভূমিকা পালন করছেন।

শিক্ষা ক্ষেত্রে এই ধরনের সমন্বিত পদ্ধতি পশ্চিমবঙ্গের তরুণদের জন্য এক নতুন দিশা দেখায়। শ্রীবস্তা আশা প্রকাশ করেছেন, যদি অধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কোচিং সেন্টার তার মডেলকে গ্রহণ করে, তবে দেশের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ফলাফল উন্নত হবে এবং ভবিষ্যৎ ইঞ্জিনিয়ারিং কর্মীবাহিনীর গুণগত মান বাড়বে। এভাবেই তার কগনিটিভ পদ্ধতি শিক্ষার মানদণ্ডকে পরিবর্তন করতে সক্ষম হতে পারে।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX