
আগামী ১২ মাসে ভারতে আসছে ছয়টি নতুন ইলেকট্রিক গাড়ি, কোন মডেল কখন লঞ্চ হবে জানানো হল
বৈদ্যুতিক গাড়ি বাজারে ছয়টি নতুন মডেল লঞ্চের সময়সূচি জানানো হয়েছে। টাটা, জেডিএসডব্লিউ-এমজি, হুন্ডাই, মারুতি সুজুকি এবং রিলায়েন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচারসহ বড় নামগুলো আগামী এক বছরেও নতুন ইভি দিয়ে বাজারকে রাঙাতে চলেছে।
বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারে নতুন মডেলের ধারা যেন থেমে নেই। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক নির্মাতারা আগামী এক বছরেও ছয়টি নতুন ইভি মডেল ভারতীয় রাস্তায় ফেলতে চলেছে। জেডিএসডব্লিউ (JSW) ও এমজি মোটর, টাটা মোটরস, হুন্ডাই, মারুতি সুজুকি এবং রিলায়েন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচারসহ বেশ কয়েকটি বড় নাম এই দৌড়ে যুক্ত হয়েছে। এই মডেলগুলোর লঞ্চের সময়সূচি ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে, যা গাড়ি প্রেমিকদের জন্য আনন্দের খবর।
টাটা মোটরসের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৪ সালের মার্চে ‘টাটা নেক্সে’ নামের একটি কমপ্যাক্ট ইভি লঞ্চ হবে, যার রেঞ্জ প্রায় ৪৫০ কিলোমিটার। একই সময়ে, জেডিএসডব্লিউ-এমজি মোটরের ‘ইগল ২’ নামের সেডান গাড়ি জুলাই মাসে বাজারে আসবে, যা ৪৯৯ কিলোমিটার পর্যন্ত চলবে বলে দাবি করা হচ্ছে। হুন্ডাইয়ের ‘কোয়ানা ইভি’ নামের হাইব্রিড-ইলেকট্রিক হ্যাচব্যাকও আগস্টে উন্মোচন করা হবে, যার চার্জিং সময় মাত্র ২৫ মিনিটে ৮০% ক্ষমতা অর্জন করা যাবে।
মারুতি সুজুকির ‘সুইফট ইভি’ মডেল নভেম্বরের শেষে লঞ্চের দিকনির্দেশে রয়েছে। এই গাড়িটি তরুণ ক্রেতাদের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, যার দামের সীমানা ১০ লক্ষ টেকার কাছাকাছি থাকবে। রিলায়েন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচারও ২০২৪ সালের শেষের দিকে ‘রিলায়েন্স গ্লো’ নামে একটি সিটি কার লঞ্চের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে, যা কেবল নগর পরিবহনের জন্য নয়, বরং শেয়ারড মোবিলিটি সেবার অংশ হিসেবেও কাজ করবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ছয়টি নতুন মডেল বাজারে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে বৈদ্যুতিক গাড়ি গ্রহণের হার ত্বরান্বিত হবে। চার্জিং ইনফ্রাস্ট্রাকচার দ্রুত উন্নত হচ্ছে, এবং সরকারী সহায়তা প্যাকেজেও ইভি ক্রয়কারী গ্রাহকদের জন্য সোনার কর ছাড় ও রিবেটের ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে। ফলে গ্রাহকের দৃষ্টিতে ইভি এখন আর একটি দামী স্বপ্ন নয়, বরং বাস্তবায়িত প্রযুক্তি।
উপসংহারে বলা যায়, আগামী ১২ মাসে ভারতীয় ইভি বাজারে নতুন মডেল ও নতুন প্রযুক্তির সমাহার দেখা যাবে। গ্রাহকরা যদি সঠিক সময়ে সঠিক মডেল বেছে নেন, তবে পরিবেশের দায়িত্ব পালন করে একই সঙ্গে আধুনিক গাড়ির সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। এভাবেই বৈদ্যুতিক গাড়ি দেশে প্রধান প্রবাহে পরিণত হবে বলে প্রত্যাশা।




