মহারাষ্ট্র সরকার সুইগি‑জোম্যাটো ও জেপ্টোর মতো ফুড‑ডেলিভারি প্ল্যাটফর্মে বৈদ্যুতিক বাইক‑ট্যাক্সি বাধ্যতামূলক
business3 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

মহারাষ্ট্র সরকার সুইগি‑জোম্যাটো ও জেপ্টোর মতো ফুড‑ডেলিভারি প্ল্যাটফর্মে বৈদ্যুতিক বাইক‑ট্যাক্সি বাধ্যতামূলক

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

মহারাষ্ট্র সরকার সুইগি, জোম্যাটো ও জেপ্টোর মতো ফুড‑ডেলিভারি প্ল্যাটফর্মকে বৈদ্যুতিক বাইক‑ট্যাক্সি চালনের বাধ্যতামূলক করে রূপান্তর পরিকল্পনা করেছে। এই নীতি পরিবেশ রক্ষা ও নিরাপত্তা বাড়াতে লক্ষ্য করে, তবে ডেলিভারি কর্মীদের আর্থিক উদ্বেগকে মোকাবেলা করা জরুরি।

মুম্বই—মহারাষ্ট্রের ফড়নবীস সরকার আগামী মাসের মধ্যে সুইগি, জোম্যাটো এবং জেপ্টোর মতো ফুড‑ডেলিভারি ও কুইক‑কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলোকে বৈদ্যুতিক বাইক‑ট্যাক্সি চালনার আওতায় আনবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই সেবা প্রদানকারীদের ডেলিভারির জন্য ব্যবহৃত সব দুইচাকার যানবাহনই বৈদ্যুতিক হতে হবে, আর পুরোনো পেট্রোল‑ডিজেল বাইকগুলোকে শেষের দিকে অবসর নিতে হবে।

বৈদ্যুতিক যানবাহনের ব্যবহার বাড়াতে সরকার ইতিমধ্যে ট্যাক্স রেয়াত, সস্তা চার্জিং স্টেশন এবং ক্রেডিট সুবিধা প্রস্তাব করেছে। প্ল্যাটফর্মগুলোকে নতুন গাড়ি কেনার জন্য রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে সহায়তা নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে, যাতে রূপান্তর প্রক্রিয়া দ্রুততর হয়। এছাড়া, পরিবেশ সংরক্ষণে ইতিবাচক প্রভাবের আশায় এই পদক্ষেপটি পরিবেশ সচেতন নাগরিক ও ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর প্রশংসা পাচ্ছে।

বৈধিক দিক থেকে, এই নীতি বাইক‑ট্যাক্সি নিয়মের অধীনে ডেলিভারি সেবাকে আনতে চায়, যাতে ট্যাক্স, লাইসেন্স ও নিরাপত্তা মানদণ্ড একসাথে প্রয়োগ করা যায়। সরকার বলছে, এইভাবে সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে এবং রাস্তায় গ্যাসের দূষণ কমবে। তবে কিছু ডেলিভারি কর্মী উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, নতুন গাড়ি কেনার খরচে তাদের আয় কমে যেতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই নীতি যদি সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হয়, তবে মহারাষ্ট্রের নগর পরিবেশে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে এবং অন্যান্য রাজ্যও অনুরূপ পদক্ষেপ নিতে পারে। তবে সমন্বয়মূলক পরিকল্পনা ও আর্থিক সহায়তা ছাড়া ডেলিভারি সেবার গুণগত মান হ্রাসের ঝুঁকি আছে, তাই সরকারকে পর্যবেক্ষণ ও সমন্বয় কার্যক্রমে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX