ফ্লিপকার্টের “যোগী-রাজ্য” উদ্যোগে ৭ লক্ষ কর্মসংস্থান, ৮.৫ লক্ষ বিক্রেতা ডিজিটাল বাজারে যুক্ত
business18 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

ফ্লিপকার্টের “যোগী-রাজ্য” উদ্যোগে ৭ লক্ষ কর্মসংস্থান, ৮.৫ লক্ষ বিক্রেতা ডিজিটাল বাজারে যুক্ত

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

ফ্লিপকার্টের “যোগী-রাজ্য” উদ্যোগে উত্তরপ্রদেশে ৭ লক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনা এবং ৮.৫ লক্ষ বিক্রেতাকে ডিজিটাল বাজারে যুক্ত করার লক্ষ্য ঘোষিত হয়েছে; এটি দেশের ই‑কমার্সের বিকাশে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

ফ্লিপকার্টের উঁচু পরিকল্পনা এখনো শূন্যে থেমে নেই; উত্তরপ্রদেশে “যোগী-রাজ্য” প্রকল্প চালু করে সংস্থা ৭ লক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য ঘোষণা করেছে। ৪ আগস্টে লখনউ‑তে অনুষ্ঠিত প্রেসব্রিফিং‑এ কোম্পানির মুখ্য কর্মকর্তা বললেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে ছোটখাটো ব্যবসা, গৃহস্থালি উৎপাদন এবং কৃষি‑কেন্দ্রিক পণ্যগুলোকে ডিজিটাল বাজারে আনতে সহায়তা করা হবে। ফলে স্থানীয় উৎপাদনশীলতা বাড়বে এবং বেকারত্বের হার কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ডিজিটাল বাণিজ্যের প্রসারকে ত্বরান্বিত করতে ফ্লিপকার্ট ইতিমধ্যে ৮.৫ লক্ষ বিক্রেতাকে তাদের প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করেছে। এসব বিক্রেতা, যারা আগে কেবলমাত্র স্থানীয় বাজারে সীমাবদ্ধ ছিল, এখন অনলাইন শপিং‑এর মাধ্যমে দেশব্যাপী গ্রাহক পৌঁছাতে পারবে। সংস্থা আরও জানিয়েছে, বিক্রেতা‑সাপোর্ট সেন্টার, প্রশিক্ষণ কর্মশালা এবং লজিস্টিক্স নেটওয়ার্কের উন্নয়ন দিয়ে ব্যবসায়িক পরিবেশকে আরও সুনির্দিষ্ট করে তুলবে।

উত্তরপ্রদেশের রাজ্য সরকারও ফ্লিপকার্টের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বিভিন্ন কর‑ছাড়, আর্থিক সহায়তা এবং নীতিগত সুবিধা প্রদান করবে। সরকারী কর্মকর্তার মতে, এই সহযোগিতা ডিজিটাল অর্থনীতির ভিত্তি শক্তিশালী করবে এবং গ্রামাঞ্চলে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বড় ভূমিকা রাখবে। ফলে আয়‑ব্যয়ের ভারসাম্য রক্ষা, দারিদ্র্য হ্রাস এবং স্থানীয় শিল্পের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধরণের বড় স্কেলের ই‑কমার্স বিনিয়োগ শুধু একক রাজ্যের জন্য নয়, সমগ্র দেশের ডিজিটাল রূপান্তরে মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে। যদি পরিকল্পনা অনুযায়ী বাস্তবায়ন হয়, তবে ২০২৯ সালের মধ্যে উত্তরপ্রদেশে মোট কর্মসংস্থান ১০ লক্ষের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। এদিকে, বিক্রেতা‑সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গ্রাহক‑সেবা এবং ডেলিভারি গতি উন্নত হবে, যা শেষ পর্যন্ত গ্রাহকের সন্তুষ্টি বাড়াবে।

সর্বোপরি, ফ্লিপকার্টের “যোগী-রাজ্য” প্রকল্প উত্তরপ্রদেশের অর্থনৈতিক দৃশ্যকে পুনর্গঠন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল বাণিজ্যের বিস্তার একসাথে চললে, দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সূচকেও ইতিবাচক দিক থেকে প্রভাবিত হবে বলে স্পষ্ট।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX