আমজনতার মাথায় হাত! ৫১ শতাংশেরও বেশি বাড়ল পেঁয়াজের পাইকারি দর
business9 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

আমজনতার মাথায় হাত! ৫১ শতাংশেরও বেশি বাড়ল পেঁয়াজের পাইকারি দর

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

পেঁয়াজের পাইকারি দাম গত বছরের তুলনায় ৫১ শতাংশের বেশি বাড়ে, যা গৃহস্থালি ব্যয়কে চাপের মুখে ফেলেছে। কৃষি মন্ত্রণালয় সেচ ও সরবরাহ বাড়িয়ে দামের স্থিতিশীলতা আনার পরিকল্পনা করেছে।

পেঁয়াজ, যা প্রতিটি গৃহের রুচি-রান্নার মূলভিত্তি, তার পাইকারি দাম গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫১ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। এই অপ্রত্যাশিত মূল্যবৃদ্ধি শহরের বাজারে ত্রিশ‑ত্রিশ করে গ্রাহকদের কষ্ট বাড়িয়ে তুলেছে এবং গৃহস্থালি বাজেটের ওপর বড় চাপ ফেলেছে।

বৃদ্ধির মূল কারণ হিসেবে বিদ্যমান রেকর্ড তাপমাত্রা, ব্যর্থ সেচ ও বৃষ্টিপাতের অনুপাতে ফসলের হ্রাস, পাশাপাশি পরিবহন খরচের উর্ধ্বগতি উল্লেখ করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের প্রধান পেঁয়াজ উৎপাদনকারী জেলা গুলিতে আক্রমণাত্মক বৃষ্টিপাতের পর গাছের ক্ষতি হয়েছে, ফলে সরবরাহ কমে যায় এবং বাজারে দামের উত্থান ঘটে।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, যদি সরবরাহের অপ্রতুলতা অব্যাহত থাকে, তবে রিটেল দামের উত্থান আরও তীব্র হবে, যা নিম্নবিত্ত পরিবারকে সরাসরি প্রভাবিত করবে। শহরের বড় বড় মুদি দোকানগুলো ইতিমধ্যে পেঁয়াজের বিক্রয় হ্রাস লক্ষ্য করেছে এবং গ্রাহকদের বিকল্প হিসেবে আলু‑শসা‑বেগুনের দামের ওপর দৃষ্টি দিতে উৎসাহিত করছে।

সরকারের দিক থেকে, কৃষি মন্ত্রণালয় জরুরি সেচ ব্যবস্থা চালু করেছে এবং পেঁয়াজের চাহিদা পূরণের জন্য আঞ্চলিক বাজারে অতিরিক্ত সাপ্লাই আনার পরিকল্পনা করেছে। তবে বিশ্লেষকরা দাবি করেন, দীর্ঘমেয়াদে সঠিক ফসল ব্যবস্থাপনা, সেচ প্রকল্পের সম্প্রসারণ এবং পরিবহন ব্যয় হ্রাসই মূল সমাধান।

উপসংহারে, পেঁয়াজের দামের এই তীব্র উত্থান কেবল একক পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি নয়, বরং গৃহস্থালি ব্যয়ের সামগ্রিক চাপ বৃদ্ধি করছে। গ্রাহকদের সতর্কতা অবলম্বন করে বিকল্প পণ্যের ব্যবহার বাড়ানো এবং সরকারকে নীতি সমর্থন দিতে হবে, যেন মূল্যের উত্থান স্থায়ী না হয়ে জনসাধারণের স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব না ফেলে।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX