আজও আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে না পারলে কী কী বিকল্প রয়েছে?
business10 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

আজও আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে না পারলে কী কী বিকল্প রয়েছে?

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

আজ ২০২৬‑২৭ তারিখে ITR দাখিলের শেষ সময়সীমা শেষ হচ্ছে। দেরি করলে পেনাল্টি, ডিমান্ড নোট বা অডিটের ঝুঁকি থাকে; তবে বিলম্বিত ফাইলিং, ডিমান্ড নোটের পরিশোধ ও প্রফেশনাল সহায়তার মতো বিকল্প রয়েছে।

আয়কর রিটার্ন (ITR) দাখিলের শেষ দিন আজ ২০২৬‑২৭ তারিখে শেষ হচ্ছে। প্রতি বছর শেষ মুহূর্তে সার্ভার ধীরগতি, টেকনিক্যাল ত্রুটি বা ডকুমেন্টের ঘাটতির কারণে অনেক করদাতা সময়মতো ফাইলিং করতে পারে না। তবে দেরি করলে জরিমানা বা আইনি জটিলতা এড়াতে কিছু বিকল্প ব্যবস্থা রয়েছে, যেগুলো জানলে করদাতার মুখে চাপ কমে যাবে।

প্রথম বিকল্প হল ‘বিলম্বিত ফাইলিং’ (Belated Filing)। রিটার্ন দাখিলের শেষ তারিখের পর ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চের মধ্যে দাখিল করলে অতিরিক্ত পেনাল্টি আরোপিত হবে, তবে ফাইল করা বাধ্যতামূলক থাকে না। দেরি হলে ১% প্রতি মাসে সর্বোচ্চ ২৫% পর্যন্ত জরিমানা ধরা হয়, যা রিটার্নে উল্লিখিত করের সঙ্গে যুক্ত করে পরিশোধ করতে হয়।

দ্বিতীয় বিকল্প হলো ‘ডিমান্ড নোট’ (Demand Notice) গ্রহণ করা। যদি রিটার্ন দাখিল না করা হয়, তবে ইনকম ট্যাক্স ডিপার্টমেন্ট করদাতার কাছে নোট জারি করে পরিশোধের দাবি জানায়। এই নোটে নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকে; সময়মতো পরিশোধ না করলে জুরি, লিকুইডেশন বা সম্পত্তি বাজেয়াপ্তির সম্ভাবনা থাকে।

তৃতীয় বিকল্প হল ‘অডিট রিভিউ’ (Audit Review)। দেরি হলে রেভিনিউ অফিসার রিটার্নের যথার্থতা যাচাইয়ের জন্য অডিট আরম্ভ করতে পারেন। অডিটে কোনো ত্রুটি ধরা পড়লে অতিরিক্ত কর, পেনাল্টি ও সুদ আরোপিত হতে পারে। তাই রিটার্ন দাখিলের আগে সব ডকুমেন্ট সঠিকভাবে প্রস্তুত করা জরুরি।

শেষে, করদাতারা ‘প্রফেশনাল হেল্প’ নিতে পারেন। ট্যাক্স কনসালট্যান্ট বা সিএফও-র সাহায্যে দেরি কমিয়ে, পেনাল্টি হ্রাসের জন্য আবেদন করা সম্ভব। সঠিক পরামর্শ ও সময়মতো ফাইলিংয়ের মাধ্যমে ভবিষ্যতে আর আর্থিক ঝামেলা এড়ানো যায়।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX